সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকার আকাশে মেঘের আনাগোনা দেখা গেছে। সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করেই কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী, গুলশান, উত্তরা, বাড্ডাসহ বেশ কয়েকটি এলাকা বৃষ্টিতে ভিজে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সড়কে থাকা যাত্রী ও পথচারীরা। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে তারা বিভিন্ন ছাউনিতে আশ্রয় নেন। কেউ বা ছাতা হাতে সড়ক পারাপার হয়। অনেকেই আবার বৃষ্টিতে ভিজেই বাসে উঠে পড়ে। তবে বৃষ্টির কারণে ধুলোবালী কিছুটা কমে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে অনেকে।
এই বিষয়ে কারওয়ান বাজার থেকে মোহাম্মদপুর যাবেন মো. কামাল হোসেন আমার দেশকে বলেন, ‘রাজধানীর যে অবস্থা বৃষ্টি হওয়াতে ভালোই হয়েছে। যদিও ছাতা নিয়ে বের হওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। তারপরও ভালো হয়েছে। পরিবেশ ও জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে আগের মত বৃষ্টি দেখা যায় না। যখন তখন এই রোদ এই বৃষ্টি।’
ইসমাইল হোসেন নামে আরেক পথচারী বলেন, আমি কারওয়ান বাজার থেকে যাত্রাবাড়ী যাবো কিন্তু হঠাৎ করেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে এটা একটা স্বস্তি। কারণ ধুলাবালুতে শরীরের বিভিন্ন রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
এই বিষয়ে আবহাওয়াবিদ জেবুন্নেছা গণমাধ্যমকে বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া নরসিংদী, কেরানীগঞ্জ ও মাওয়ায় বৃষ্টি হচ্ছে। এটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না।
এদিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এমন অবস্থায় রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, আজ রোববার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। শেষ রাত থেকে ভোর পর্যন্ত কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

