পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের পশ্চিম সুবিদখালী এলাকায় এক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার দিকে পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের চত্রা সড়কের পাশে কাওসার খানের নতুন ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের বেগমপুর এলাকার করিম খানের ছেলে কাওসার খান মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী এবং হারম্যান মেইনার কলেজের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে রাব্বি একই গ্রামের মো. মোস্তফা হাওলাদারের পুত্র এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সুবিদখালী সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কাওসার উপজেলা ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাথে বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকেন। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা মো. রাব্বি সপ্তাহখানেক আগে কাওসারকে ফোন দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে এলাকায় ঘুরাঘুরি কেন করে, এ বিষয়ে জানতে চায়। ফোনে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কাওসারের ঘরে আগুন দিবে বলে হুমকি দেয় রাব্বি।
রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে কাওসার নিজ ঘরে ইলেকট্রনিকের কাজ করছিল। এ সময় রাব্বি হাওলাদার দেশীয় অস্ত্র রামদা দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে কাওসারের মাথায় কোপ দেয়। রামদার কোপে কাওসারের মাথা কেটে যায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে কাওসারকে রক্ষা করে দ্রুত মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক কাটা স্থানে ছয়টি সেলাই করেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
কাওসারের বাবা করিম খান বলেন, আমার ছেলে কোনো দোষ করে নাই। ছাত্রদল করায় রাব্বি শুধু শুধু আমার ছেলেকে আহত করেছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বাসার মোখলেছ জানান, কাওসার আমাদের ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের হয়ে একজনকে কোপানো এবং কিভাবে এখনও রামদা-চাপাতি নিয়ে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করে এটা বোধগম্য নয়। প্রশাসনের নিকট আমরা দ্রুত এর বিচার চাই।
এ ব্যাপারে রাব্বির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার জানান, বিষয়টি জেনেছি। আমরা যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
এমএস