উজিরপুরে সাইফ মাহমুদ জুয়েল
“মাদক আমাদের সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই ভয়াবহ ব্যাধির বিরুদ্ধে এখনই সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে”—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে ঈদ পরবর্তী মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রোববার (২২ মার্চ) বিকেলে ইউনিয়নের প্রখ্যাত সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন তিতাসের গ্রামের বাড়িতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও এ কে এম মুস্তাফিজুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের সভাপতিত্বে এবং জাহিদ হাসান সুরমার সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইফ মাহমুদ জুয়েল আরও বলেন, “যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক অবস্থান নিতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম চরম হুমকির মুখে পড়বে।” তিনি রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে মাদকবিরোধী আন্দোলনে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জাকির মাহমুদ- অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান মিন্টু, মাইনুল হোসেন মুন্না আই,সি এম,এ,বি সদস্য,সাবেক প্রধান শিক্ষক দুলাল মাস্টার, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার হুমায়ুন কবির, প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন, বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক তাজউদ্দিন আহমেদ, আকবর হোসেন হাওলাদার, জগদীশ চন্দ্র, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য ইদ্রিস মিয়া, আসাদুর রহমান জালিছ ও মিজানুর রহমান ব্যবসায়ী , সোহেল,সুমন, সোহাগ, কামরুল সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রাজিব মজুমদার, উজিরপুর যুবদলের সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহাগ খান, বিএনপি নেতা মামুন জমাদার, উজিরপুর যুবদলের সহ-সভাপতি মাসুম মল্লিক, গুলশান থানা বিএনপির সদস্য সুজন ফকির, বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, শোলক ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সবুজ রাজ, ধামুরা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির, শোলক ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল খান এবং উজিরপুর থানা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক পলাশ কুন্ডুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। মাদক বিরোধী সভায় সার্বিক সহযোগিতা করেন তারিক হোসেন জিলাম।
সভায় বক্তারা মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার, দলীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।