ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, তারেক রহমান আমাকে আস্তার সাথে দায়িত্ব দিয়েছে ভোলা সদরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এবার সেই আস্থা ও বিশ্বাসের সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। ঢাকার মানুষ আমাকে পছন্দ করে কিন্তু ভোলার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। যার কারণে আমি আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তারেক রহমানের আশীর্বাদ নিয়ে আপনাদের খেদমতে আমি হাজির হয়েছি। আমি এ দিনটি অপেক্ষা করছিলাম। আমি চেয়েছিলাম আমার বাবার মত ভোলার মানুষের পাশে থাকতে। আল্লাহ আমাকে সেই সুযোগ দিয়েছে এ সুযোগকে হাতছাড়া করা যাবে না। বিএনপির এ মাটিতে অনেক ত্যাগ আছে। তাদের সাথে নিয়েই আগামীদিনে আমার পথ চলা। আমি কোনো মারামারি হানাহানি কাটাকাটি চাই না। জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের যে ভাইরা নির্বাচন করছেন আপনারা যদি মনে করেন আমার চেয়ে তারা যোগ্য তাদেরকেই আপনারা নির্বাচিত করেন। আর যদি মনে করেন ভোলায় মেডিকেল কলেজ, ভোলা-বরিশাল ব্রিজসহ সামগ্রিক উন্নয়নের জাতীয় সংসদ ও বাংলাদেশের মধ্যে উজ্জ্বল করতে আমি পারব তাহলে আমাকেই আপনারা নির্বাচিত করবেন।
শনিবার মনোনয়ন পাওয়ার পর এই প্রথম ভোলায় আগমন উপলক্ষে হাজারো জনতার গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্থ আরও বলেন, আমি যখন শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতাম টকশোতে বলিষ্ঠ কন্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করতাম তখন ভোলার আর কাউকে এ প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করতে আমি দেখিনি। আমি সেই দুর্দিনের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। আমি কোনো ধরনের হানাহানি কাটাকাটি মারামারি চাই না। আশা করছি আপনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাতে হাত রেখে সকল ধরনের ভেদাভেদ হলে ভুলে আপনাদের পাশে থাকার সুযোগ সুযোগ দেবেন।
ভোলা খেয়াঘাট থেকে খোলা গাড়িতে করে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা নারী-পুরুষদের হাত নেড়ে অভিনন্দন জানিয়ে শহরে আসেন আন্দালিব রহমান পার্থ। পরে নতুন বাজার জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন তিনি।
এসময় বিজেপির জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন সাধারণ সম্পাদক মোতাসিম বিল্লাহ সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামসহ দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে জোটবদ্ধ শরিকদল বিএনপির জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের কোনো নেতাদের এ গন সংবর্ধনায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি।