হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

ভূমিহীনের নামে বরাদ্দ খাসজমি কৌশলে দখল বিএনপি নেতার

জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা

ভূমিহীনকে পুনর্বাসন ও কৃষিকাজের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া খাসজমি কৌশলে দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ উঠেছে, ভূমিহীন মাসুদ আলমের নামে বরাদ্দ দেওয়া সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাশেম। বর্তমানে সে জমিতে স্থায়ী বহুতল ভবন নির্মাণের কার্যক্রম চলছে। ভুক্তভোগী মাসুদ আলম দাউদকান্দির গৌরীপুর পেন্নাই এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত আবুল হাশেম তার চাচাতো ভাই।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী ভূমিহীন হিসেবে মাসুদ আলমকে ১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে সরকার ১০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত দেয়। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার পরও মাসুদ আলম ওই জমি ব্যবহার করার সুযোগ পাননি। কাগজে-কলমে তার নাম থাকলেও জমির নিয়ন্ত্রণ ছিল হাশেমের হাতে। এক পর্যায়ে পুরো জমির মালিকানা নিজের নামে করে নেন হাশেম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে জমিটি ভোগদখলে রাখার পর বর্তমানে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। হাশেমের ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাবে প্রকাশ্যে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের চাপে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের মধ্যেও এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি তাদের।

দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ ভুইয়া বলেন, আবুল হাশেম খাসজমি নিজের নামে নিয়ে দখলে রয়েছেন। সরকারি বিধিবিধান উপেক্ষা করে ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি ও অনৈতিক। যদি তদন্তে কোনো অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অবৈধ দখলের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বলেন, সরকারিভাবে ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত জমি থেকে মাসুদ আলমের নামে ১০ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে জমিটি আমার নামে ট্রান্সফার করি। এরপর থেকেই জমিটি আমার দখলে রয়েছে এবং সেটি ভোগ করে আসছি।

ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল হাশেম অভিযোগটি অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, সেখানে কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়নি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন, আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী যদি লিখিত অভিযোগ দেন, আমরা ব্যবস্থা নেব।

জেলা প্রশাসক রেজা হাসান বলেন, ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত জমি অন্য কোনো ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করার আইনগত সুযোগ নেই। অন্য কারো নামে হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন সম্পূর্ণ অবৈধ। সরকারি অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের জমিতে কোনো ব্যক্তি বহুতল ভবন বা স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেন না। যদি কারো বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠে ।

জেডএম

শ্রীমতি খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

পাওনা টাকা চাওয়ায় বন্ধুর হাতে খুন, আটক ৩

ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন

ফ্লোরিডা সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হয়েছে: চসিক মেয়র

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, বহিষ্কার যুবদল নেতা

কর্ণফুলীতে পিকআপের ধাক্কায় বাবা-ছেলে নিহত

আবাসন সুবিধার বাইরে কুবির ৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী

কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা হাসপাতালে

চট্টগ্রামের হালিশহরে বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে চার ইউনিট

পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১৪০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ