কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা থার বিষ্ণুপুর এলাকায় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ফসলি জমি ধ্বংস করে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত মীর হাসান ইকবাল পাজিরপাড় গ্রামের আলী আশরাফের ছেলে ও বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৫০০ শতাংশ ফসলি জমিতে ড্রেজার বসিয়ে নির্বিচারে মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে একের পর এক আবাদি জমি গভীর গর্তে পরিণত হচ্ছে। প্রকাশ্যে এ কার্যক্রম চললেও স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী মহলের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা যুবদলের এক প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন ইকবাল মেম্বার। তাদের দাবি, আগে সীমিত পরিসরে মাটি কাটা হলেও বর্তমানে তা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, ইকবাল মেম্বারের ভয়ে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং উপজেলা বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কেউ বাধা দিতে পারে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দাও একই ধরনের অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ না থাকায় অবাধে চলছে ফসলি জমি ধ্বংসের এ কার্যক্রম। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কৃষি ও পরিবেশের ওপর এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.বি.এম. সারোয়ার রাব্বী বলেন, উপজেলার কোথায় মাটি কাটা হচ্ছে । ঠিকানা আমার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে পাঠিয়ে দিন । আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি ।
মীর হাসান ইকবাল বলেন, সারাদেশেই তো মাটি কাটছে । আমি আমার পুকুর থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটছি । কার কি সমস্যা হল এটা আমার দেখার কি দরকার । আমিতো অন্যের জায়গায় মাটি কাটছি না।
জেডএম