চট্টগ্রামের পটিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়রা অভিযোগে এক যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত মিজানুর রহমান কফিল উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন।
সোমবার রাতে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। কেন্দ্রীয় যুবদলের সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের আওতাধীন পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান কফিলকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। তার কোনো কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব দল বহন করবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে রোববার দুপুরে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এক প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হন মিজানুর রহমান কফিল (৩৭)। তিনি কোলাগাঁও ইউনিয়নের মৃত সোলায়মান মেম্বারের ছেলে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তখন এলাকায় বেশ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। স্থানীয় মুরুব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন মিজানুর রহমান কফিল।
তিনি বলেন, ‘আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করছে। আমি এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে কিছু লেনদেন-সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
জেডএম