হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

১৩ আসনেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াতের

সোহাগ কুমার বিশ্বাস ও এম কে মনির, চট্টগ্রাম

নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে ১১২ জন প্রার্থী শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন নিজেদের পক্ষে। প্রতিটি আসনে ছয় থেকে আট জন প্রার্থী থাকলেও ভোটের মাঠে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তথা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে। দুটি আসনে বিএনপির গলার কাঁটা হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরাও সক্রিয় রয়েছেন।

বিএনপির নেতৃত্বে কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিলেও চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে তাদের কোনো প্রার্থী নেই। অন্যদিকে জোটের স্বার্থে জামায়াতের ছেড়ে দেওয়া তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শরিক দলের প্রার্থীরা। এছাড়া প্রতিটি আসনেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও জোর প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। শেষ মুহূর্তের প্রচারে তারা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের সমর্থন চাচ্ছেন।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই)

এ আসনে এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াত, জেএসডি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, বিএমএলের মনোনীত প্রার্থীসহ মোট সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির নুরুল আমিন ও জামায়াতের সাইফুর রহমানের মধ্যে। ভোটাররা বলছেন, অতীতে এই আসনটিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ভোটার ছিল সমানে সমান। জামায়াতের অবস্থান ছিল তৃতীয়। তবে এবার ৩০ হাজারের বেশি নতুন ভোটারের ওপর ভর করে জয়ের আশা করছে জামায়াতে ইসলামী। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থীর পাল্লা এই আসনে ভারী। কারণ এক সময়ে এখান থেকে নির্বাচন করতেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফলে দুদলই এ আসনটি নিয়ে আশাবাদী।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি)

এই আসনে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির সরওয়ার আলমগীর ও জামায়াতের অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের মধ্যে। উভয়েই এবার নতুন প্রার্থী। এমনকি কোনো পর্যায়েই জনপ্রতিনিধি হওয়ার রেকর্ডও নেই তাদের। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আসনটিতে আলোচনা এই দুই প্রার্থীকে ঘিরেই। হেফাজত আমির আল্লামা মহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বিএনপির প্রার্থী সরওয়ারকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে সেখানে বিএনপির একাধিক গ্রুপ সক্রিয় থাকায় সরওয়ারের কপালে চিন্তার ভাঁজ। এছাড়া আইনি দিক দিয়েও বিপাকে রয়েছেন তিনি। কারণ তাকে জানানো হয়েছে, আদালতের রায়ে তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করতে পারলেও ভোটের দিন তার ফলাফল স্থগিত থাকবে।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ)

এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা ও জামায়াতের উত্তর জেলা আমির আলাউদ্দিন সিকদার। বিএনপির প্রার্থী তিনবারের সাবেক এমপি হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় জনপ্রিয় হলেও তিনি এখন বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন। বিপরীতে অপেক্ষাকৃত তরুণ জামায়াতের আলাউদ্দিন শিকদার চষে বেড়াচ্ছেন ভোটের মাঠ। তবে এখানে তাদের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীকের আমজাদ হোসেন। প্রবাসী হলেও দানশীল হিসেবে পরিচিতি থাকায় ভোটের মাঠে তার প্রভাবও ভালোই থাকবে বলে জানিয়েছেন এই দ্বীপের ভোটাররা।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড)

নগরীর বায়েজিদ ও পাহাড়তলীর একাংশ আর সীতাকুণ্ড উপজেলা মিলে গঠিত এই আসনে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও জামায়াতের আনোয়ার ছিদ্দীক চৌধুরীর মধ্যেই হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। আসলাম চৌধুরীর বিশাল ভোটব্যাংক থাকলেও ঋণখেলাপি অনুদানের চেক ক্যাশ না হওয়াসহ নানা বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না তার। পাশাপাশি প্রথম দফায় মনোনয়ন পাওয়া কাজী সালাহ উদ্দিনকে পাল্টে আসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ায় বিভক্তি তৈরি হয়েছে দলের মধ্যে।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী)

এই আসনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনীর। হাটহাজারীতে হেফাজতের শক্ত অবস্থানের কথা ভেবে ১১ দলীয় জোট তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। রিকশা প্রতীক নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে লড়ছেন তিনি। বিএনপির সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের হওয়ায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন তিনি। তবে নাছির উদ্দীনকে জেতাতে জামায়াত, এনসিপি, এবি পার্টিসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান)

এই আসনে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। ভোটের মাঠে অনেকটাই এগিয়ে আছেন তিনি। বলা চলে, পুরো চট্টগ্রামের মধ্যে এ আসনেই সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ধানের শীষের প্রার্থী। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন শাহজাহান মঞ্জুর। বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে কিছুটা সুবিধা পেতে পারেন তিনি।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া)

এই আসনে আওয়ামী লীগের জুডিশিয়াল কিলিংয়ের শিকার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে ধানের শীষের কান্ডারি ঘোষণা করেছে বিএনপি। রাঙ্গুনিয়াবাসীর সহানুভূতি আছে হুম্মামের ওপর। তবে নির্বাচনি প্রচারের কিছু বিষয় ভালোভাবে নিচ্ছে না কেউ কেউ। এ আসনে হুম্মামের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে নির্বাচনি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতের এটিএম রেজাউল করিম।

কয়েক বছর ধরেই সামাজিক কাজে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে এই আসনে।

চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী)

জামায়াত-এনসিপির দ্বন্দ্বে এই আসনে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ। নির্বাচনি প্রচার শুরুর দিনে সন্ত্রাসী হামলায় আহত হন তিনি। তাই ভোটারদের সহানুভূতি আছে তার সঙ্গে। পাশাপাশি প্রার্থী নিয়ে বিরোধে জড়িয়েছে ১১ দলীয় জোট। জোটের পক্ষ থেকে এনসিপির জোবাইরুল হাসান আরিফের হাতে শাপলাকলি তুলে দিয়েছেন জামায়াতের আমির। কিন্তু মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় এই আসনের ব্যালটে রয়ে গেছে দাঁড়িপাল্লা। জামায়াতের প্রার্থী আবু নাসের প্রকাশ্যে প্রচার না চালালেও তার সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লার প্রচার চালাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া)

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান স্থানীয় বাসিন্দা নন। এর আগে তিনি দুবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে। দলীয় সিদ্ধান্তে এবার এই আসনে এসেছেন তিনি। বিপরীতে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ডা. ফজলুল হক। চিকিৎসক ও সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে এই আসনে। এই পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিএনপির প্রার্থীকে ধরাশায়ী করতে চায় জামায়াত।

চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী)

এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির সাঈদ আল নোমান ও জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালীর মধ্যে। বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানের ছেলে তরুণ রাজনীতিক সাঈদ আল নোমান ভোটের মাঠে নতুন। বিপরীতে শামসুজ্জামান হেলালী সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে এই এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। আওয়ামী লীগের সময়ে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে নির্যাতিত নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে আশা করা হচ্ছে, এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা)

আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিপরীতে জামায়াতের শফিউল আলম প্রচার চালালেও হেভিওয়েট প্রার্থী আমীর খসরুর সঙ্গে নির্বাচনি দৌড়ে পেরে উঠছেন না তিনি। তরুণ, পেশাজীবী, নারী ভোটার সব শ্রেণিকে আলাদা করে নির্বাচনি কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন আমীর খসরু। তবে বন্দরকেন্দ্রিক বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি ওই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনসহ জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোকে সামনে এনে নির্বাচনি প্রচার চালাচ্ছেন জামায়াতের শফিউল আলম।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া)

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক এনাম ও জামায়াতের ডা. ফরিদুল আলমের মধ্যে হবে মূল লড়াই। বিএনপির এনাম তৃণমূলে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি তার সাংগঠনিক অবস্থানও ভালো। তবে ৫ আগস্টের পর বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলমের একটি কারখানা থেকে ১৬টি বিলাসবহুল গাড়ি সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরাসরি ভূমিকা রেখেছিলেন এনাম। এর জেরে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিবের পদটিও হারাতে হয় তাকে। পুরো বিষয়টি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনি মাঠে বেশ জোরেশোরেই প্রচার করছে। এছাড়া এলডিপির প্রার্থী এম এয়াকুব আলী শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় নতুন নাটকীয় মোড় নিয়েছে পটিয়ার রাজনীতি, যার সুবিধা উঠেছে জামায়াত প্রার্থীর ঘরে।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী)

আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম আর জামায়াতের মাহমুদুল হাসান। ভোটের মাঠের প্রচারে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম এগিয়ে থাকলেও ভোটের পর এলাকা ছাড়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০০৮ সালে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে দেশ ছাড়েন তিনি। ২০১৮ সালে মনোনয়ন নিয়ে দেশে এসে নির্বাচনের পর ফের চলে যান বিদেশে। আওয়ামী আমলের অত্যাচার-নির্যাতনের ছোঁয়া তার গায়ে লাগেনি। তাই দলের একটি অংশ নিজামের ওপর ক্ষুব্ধ। আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে চায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহমুদুল হাসান। ভোটযুদ্ধে নবীন হলেও জামায়াতের সাংগঠনিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে মাঠে বেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। নির্বাচনি মাঠে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন সুন্নি জোট ইসলামিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এমএ মতিন। মোমবাতি প্রতীকে প্রচারে মাঠে সাড়া ফেলেছেন তিনিও।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ)

এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন জসিম উদ্দিন আহমেদ। অনেকের মতে, তিনি সাবেক আইজিপি বেনজিরের ক্যাশিয়ার ও ব্যবসায়িক পার্টনার। দলের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম রাহী। বিএনপির তিন প্রার্থীর সঙ্গে এককভাবে শক্ত অবস্থানে আছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপির ওমর ফারুক। তিনি এলডিপি সভাপতি কর্নেল অলি আহমদের ছেলে। এই আসনে বেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া)

জামায়াতে ইসলামীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা শাহজাহান চৌধুরী। তার বিপরীতে বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনি মাঠে থাকলেও সব দিক দিয়েই তিনি অনেক পিছিয়ে। ভোটাররা বলছেন, অবাধ নির্বাচন হলে এই আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয় অনেকটা সুনিশ্চিত।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী)

আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও জামায়াতেরও রয়েছে শক্ত অবস্থান। আওয়ামী লীগের আমলেও উপজেলা চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একাধিকবার জয়ী হয়েছে জামায়াতের প্রার্থীরা। এ আসনে বিএনপির হাল ধরে রেখেছিলেন সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর এই আসনে দলের টিকিট দেওয়া হয়েছে ছেলে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাকে। বিপরীতে জামায়াতের হয়ে নির্বাচনে লড়ছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। অন্যদিকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী। বাঁশখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে এসআলম গ্রুপের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় উপজেলাজুড়ে তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। ফলে সবকিছু ঠিক থাকলে এই আসনে লড়াই হবে ত্রিমুখী।

সাগরে ফিশিং ট্রলির ধাক্কায় এক জেলের মৃত্যু, নিখোঁজ আরেক জেলে

‎রায়পুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ২

জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম নির্মূল করা হবে: আজম চৌধুরী

নির্বাচনের পর দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

সেনবাগে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজের গণসংযোগ

কুমিল্লায় আ.লীগ নেতার বিএনপিতে যোগদান

সেনবাগে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর, আহত ১৮

বিএনপি সরকার গঠন করলে মাদকমুক্ত সমাজ গড়া হবে : শাহজাহান চৌধুরী

দেবিদ্বারে ট্রাক প্রতীকের মাইকিংয়ে বাধা ও মারধরের অভিযোগ

১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট স্থগিত