হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

সাতকানিয়ার বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর ১০ স্পিডবোট

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধারে সেনাবাহিনীর ১০টি স্পিডবোট মোতায়েন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকাল থেকে চালক ও সহকারীসহ এসব স্পিডবোট উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেবে। তবে সাতকানিয়ায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে—এমন তথ্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকায় এখনো অনেক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। বিশেষ করে যেসব এলাকায় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনীর কাছে ১০টি স্পিডবোট চাওয়া হয়। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার থেকে সেনাবাহিনী চালক ও সহকারীসহ ১০টি স্পিডবোট সরবরাহ করবে। এসব স্পিডবোট উদ্ধার, জরুরি খাদ্য সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে সাতকানিয়ায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের যে খবর ছড়িয়েছে, সেটি সঠিক নয়। সেনাবাহিনী সদস্যদের বড় ধরনের মোতায়েন করা হচ্ছে না। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর ১০টি স্পিডবোট দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি স্পিডবোট চালক ও প্রয়োজনীয় সহকারীসহ পরিচালিত হবে, যাতে দ্রুত দুর্গম এলাকায় পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো ঘরবন্দি ও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। কিছু এলাকায় কোমর থেকে বুকসমান পানি থাকায় নৌকা ছাড়া যাতায়াতের কোনো সুযোগ নেই। অনেক সড়ক ডুবে যাওয়ায় স্বাভাবিক যোগাযোগও ব্যাহত হয়েছে।

বর্তমানে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে এখনো পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এসব এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর স্পিডবোট ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোথাও নতুন করে পানি বাড়লে বা অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হলে উদ্ধার কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে বন্যাকবলিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন

বাঁশখালীতে ঢলের পানিতে ভেসে কিশোরীর মৃত্যু

এই দেশ শুধু সরকারি দলের নয়, ১৮ কোটি মানুষের: ডা. শফিকুর রহমান

সীতাকুণ্ডে চাকা বিস্ফোরণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনা, যুবক নিহত

মাদরাসা অফিস কক্ষে আ.লীগ নেতার জামায়াতে যোগদান

হাটহাজারীতে মেয়ের সামনে দর্জিকে কুপিয়ে হত্যা

ছাগলনাইয়ায় সাংবাদিক হামলা মামলায় গ্রেপ্তার ১

নদীপথে ভারতে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার জব্দ

চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নগরের ৯০ শতাংশ এলাকা থেকে পানি নেমেছে: চসিক মেয়র