দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ত্রাণের চাল বিতরণে কোনো দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বন্যাদুর্গত মানুষ কর্মে না ফেরা পর্যন্ত মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।
বুধবার দুপুরে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে এসব কথা বলেন ।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমি সরেজমিনে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি দেখতে এসেছি। বন্যার পানি সাময়িকভাবে সরে গেলেও নানা অসুবিধার মধ্যে আপনারা থাকবেন। তার মধ্যে খাদ্য সহায়তাটা খুবই জরুরি।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, আমি দেখেছি কিছু বাড়িঘর এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যা মেরামত করার মতো অবস্থা নেই। আমরা তাদের জন্য কিছু ঢেউটিন ও টাকা পাঠিয়ে দেবো। আর আমি রাস্তার অভিজ্ঞতাও নিয়ে গেলাম। প্রকল্প পাঠালে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে এই রাস্তাও করা হবে।
মন্ত্রী এর আগে বাঁশখালীর জলকদর খালের খননকাজও পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বলেন, খাল খনন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও কৃষিবিপ্লব সাধনে এই প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে খাল ও নদী খনন করা হয়নি। আমি জলকদর খাল খনন দেখে খুশি হলাম। এই খালটি দেশের ২৫টি মডেল খালের একটি হবে বলে আমার প্রত্যাশা।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, বাঁশখালীর ইউএনও রুহুল আমিন, এসিল্যান্ড ওমর সানী আকন, বাঁশখালী থানার ওসি রবিউল হক প্রমুখ।
জেডএম