আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া
চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ১৪ জন শ্রমিক নেতা ও কর্মচারিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার রাতে আলাদা নোটিশে তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এর আগে আরেকটি নোটিশে তাদের নামে বরাদ্দ করা বাসা বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। সবগুলো চিঠির কপি আমার দেশ এর হাতে এসেছে।
নাম প্রকাশ না করার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে আন্দোলনের নামে চট্টগ্রাম বন্দরকে অস্থিতিশীল করতে তৎপর রয়েছে একদল শ্রমিক কর্মচারী।
বন্দর চালু রাখার স্বার্থে ৩ দফায় ১৫ জন কর্মচারীকে পানগাঁও, মংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে ১৪ জনই বদলি করা কর্মস্থলে যোগদান করেনি। উল্টো বহিরাগতদের নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরকে অস্থিতিশীল করে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত করার কাজে জড়িত রয়েছেন।
অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা-১৯৯১ সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন ২০২৩ ও ২০২৫ মোতাবেক সবাইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
বন্দরের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতি সংগঠনের সমন্ময়ক হুমায়ুন কবির জানান, বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সিদ্ধান্ত থেকে অন্তর্বর্তী সরকার সরে এসেছে বিডা চেয়ারম্যানের এমন ঘোষণার পর আমরা আন্দোলন থেকে সরে আসার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে ভাবছিলাম।
এমন সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত শ্রমিক কর্মচারীদের আরো ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সর্বাত্মক অবরোধ আরো কঠোরভাবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।