ঈদুল আজহার ছুটিতে চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থানগুলোতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মুখরিত ছিলো পতেঙ্গা সৈকত, ফয়’স লেক সি ওয়ার্ল্ড, চিড়িয়াখানা, পারকি সৈকত, জুলাই বিপ্লব পার্ক, আগ্রাবাদ জাম্বুরী পার্ক, লিংক রোড়, নেভাল একাডেমি, গুলিয়াখালী সি বিচ, ভাটিয়ারি সানসেট পয়েন্ট।
সকাল থেকেই সাগরের ঢেউয়ের মায়ায় নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে জড়ো হতে থাকেন দর্শনার্থীরা। কেউ মেতেছিলেন ঢেউয়ের মিতালিতে, কেউ ব্যস্ত ছিলেন ফ্রেমবন্দি হতে। স্পিডবোট ও ঘোড়ার পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ সৈকতের আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল।
সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী এবং আনোয়ারার পারকি সমুদ্রসৈকতেও দেখা গেছে ভ্রমণপিয়াসীদের উপচেপড়া ভিড়। সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী সানসেট পয়েন্ট দিনের শুরু থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন৷ অনেকে দিনের শেষে মনোহর সূর্যাস্ত উপভোগ করতে এখানে জড়ো হয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে ভাটিয়ারী বাজারে বিনোদন কেন্দ্রকে ঘিরে উপচে পড়া ভিড় আর যানজট দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ঢোকার মুখে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। পরিবারসহ ঘুরতে আসা রমজান হোসেন জানান, সবাইকে নিয়ে এখানে এলাম। চিড়িয়াখানার পরিধি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে, ঘুরে বেশ ভালো লাগছে।
ফয়’স লেকের কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, সি ওয়ার্ল্ড ও বেস ক্যাম্পেও দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। শুক্রবার দুপুরেও সি ওয়ার্ল্ডের সুইমিং পুলে শত শত মানুষকে মেতে উঠতে দেখা যায় জলকেলিতে। যা শনিবারও অব্যাহত আছে।
কনকর্ডের বিপণন ব্যবস্থাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, ঈদের দ্বিতীয় দিনে প্রায় আড়াই হাজার দর্শনার্থী এসেছেন এবং সরকারি ছুটির শেষ দিন পর্যন্ত এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তারা আশা করছেন।
চট্টগ্রাম ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি উত্তম প্রসাদ পাঠক জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে ঘোরাঘুরি নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর টানা এক সপ্তাহ পুলিশ এই বিশেষ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
জেডএম