হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

স্লুইসগেট সচল হলে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা কমবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বক্তব্য রাখছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ । ছবি: আমার দেশ

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে নির্মাণাধীন ২১টি স্লুইসগেট পুরোপুরি চালু হলে নগরবাসী অনেকটাই স্বস্তি পাবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, প্রকল্পটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে এটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ, বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন এবং নগরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব হবে।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ২১টি স্লুইস গেটের অগ্রগতি এবং প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, সাঈদ আল নোমানসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। ২১টি স্লুইস গেট সম্পূর্ণভাবে চালু হলে নগরের জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় জানানো হয়, প্রায় ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে স্লুইস গেটগুলোর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে এসব স্লুইস গেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এর ফলে নগরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সার্বিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন আরও কার্যকর হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকার শিগগিরই প্রয়োজনীয় কার্যক্রম হাতে নেবে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে বৃষ্টির পর স্লুইসগেট বন্ধ রাখার বিষয়টি জলাবদ্ধতা ও দীর্ঘায়িত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। সাগরের জোয়ারের সময় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি যাতে লোকালয়ে ঢুকতে না পারে, সেজন্য সুইচগেটগুলো বন্ধ রাখা হয়। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে বাধা, জোয়ারের পর ভাটার সময় গেট খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও, অনেক সময় তা ঠিকমতো খোলা হয় না। ফলে প্রচণ্ড বৃষ্টির সময় শহরের ভেতরের পানি ও পাহাড়ি ঢল দ্রুত সাগরে নামতে পারে না।

পানি উন্নয়ন র্বোড সূত্র জানায়.চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে মোট ৬২টি স্লুইস গেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) আওতায় রয়েছে ২১টি স্লুইস গেট। ইতোমধ্যে ১৭টির কাজ শেষ হয়েছে, বাকি ৪টির নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

এমই

সাতকানিয়ায় ত্রাণের জন্য প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি আটকে ক্ষোভ

সাগরে ট্রলার ডুবে কুতুবদিয়ার পাঁচ জেলে নিখোঁজ

নবীনগরে তিন র‍্যাব সদস্যকে মারধর, দুই মাস পর ডাকাত গ্রেপ্তার

কেন্দ্রীয় সভাপতির নেতৃত্বে রামুতে ছাত্রদলের ত্রাণ বিতরণ

লামায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত ২

ঈদগাঁওয়ে আড়াই শতাধিক দুর্গত পরিবারে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ

থানচিতে বন্যার্তদের পাশে বিজিবি, আশ্রয়কেন্দ্রে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা

সাতকানিয়ায় বন্যার্ত মানুষের পাশে ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলাম

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি

মিরসরাইয়ে বন্যাদুর্গত এলাকায় খোঁজ নেই সিপিপির