কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হাজিরপাড়া গ্রামের মরহুম আব্দুর রহমানের এতিম পরিবারের জীবিকা নির্বাহ ও স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে একটি মিনি টমটম দিয়েছে ‘আল-আমিন ফাউন্ডেশন’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন।
শনিবার সকালে উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শাকিল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এই সহায়তা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পরিবারের সদস্যদের হাতে মিনি টমটমটির চাবি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আল-আমিন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা মাস্টার শামসুল আলম, উপদেষ্টা মাস্টার হারুন রশিদ নূরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাইল, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান নাঈম, সাজ্জাদুল ইসলাম মুয়িনসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমাজসেবক এবং এলাকার সাধারণ মানুষ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শুধু আর্থিক সহায়তা প্রদান নয়, বরং অসহায় ও এতিম পরিবারের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই আল-আমিন ফাউন্ডেশনের অন্যতম লক্ষ্য। একটি মিনি টমটমের মাধ্যমে পরিবারটি নিয়মিত আয়ের সুযোগ পাবে, যা তাদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান অতিথি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ এগিয়ে এলে অসহায় মানুষের জীবনমান পরিবর্তন করা সম্ভব। আল-আমিন ফাউন্ডেশনের মতো সামাজিক সংগঠনের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মানবসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আল-আমিন ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, দরিদ্র, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকায়ন ও মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠান শেষে মিনি টমটম গ্রহণকারী বিধবা খুরশিদা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে আল-আমিন ফাউন্ডেশন, প্রধান অতিথি এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এই সহায়তা পরিবারের জন্য নতুন আশার আলো হয়ে এসেছে এবং স্বাবলম্বী হওয়ার পথকে আরও সুগম করবে।
এমএইচ