বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতারা রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে খাল দখল করেছেন। একারণে জলাবদ্ধতা থেকে বন্যা সবই হচ্ছে। তারা আইনের তোয়াক্কা করেনি। যতো প্রভাবশালী ছিলেন তারা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধাকেও দখলের কাজে লাগিয়েছেন। তবে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের দূর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন। আশা করছি আগামী দুই দিনের এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটবে।
শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে চট্টগ্রামের ১৬ টি আসনের সংসদ সদস্য, চসিক মেয়র, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম ও তিন পার্বত্য জেলায় সম্প্রতি সৃষ্ট বন্যায় উদ্ধার, ত্রাণ তৎপরতা, পুনর্বাসন কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের স্থানীয় প্রশাসনের সাথেও প্রতি মুহুর্তে যোগাযোগ করছেন। কোথায় কী লাগেবে তা নিজে দেখছেন সরাসরি। তারেক রহমানের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। সুতারং জনগণের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। আমরা দিনরাত জনগণের দূর্ভোগ লাঘবে কাজ করে যাচ্ছি।
এসময় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আমরা সাড়ে তিন ঘণ্টা কনফারেন্সে মিটিং করেছি। শনিবার প্রশাসন ও সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে আমরা গত কয়েকদিনের কাজের তথ্য নিয়েছি।সেই পরিকল্পনা অনুসারে আমরা কাজ শুরু করছি।
তবে নদীখননের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামীকাল পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। তিনি এ বিষয়ে জানাবেন।
তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছাতে আমাদের আনসার, বিজিবি, সেনাবাহিনী কাজ করছে। আমরা বাঁশখালীতে পরিদর্শনে যাব আজই। সেখানে ত্রাণের পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, এরশাদ উল্লাহ, সাঈদ আল নোমান, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিনসহ প্রশাসনের উর্ধ্বন কর্মকর্তারা।
এমই