আলোচনা সভায় সাঈদ আল নোমান
চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শিতায় অনন্য উচ্চতায়। তিনি সর্বোচ্চ সততা ও দেশপ্রেম নিয়ে দেশের জন্য কাজ করে গেছেন। দায়িত্ব পালনে নিজের পজিশনকে কখনও কারণ বানাননি। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসিকতা এবং সততার ফলশ্রুতিতে আমাদের আমাদের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাইতো তরুণ প্রজন্মের কাছে আমাদের যত ধারক-বাহক আছে সবাইকে জিয়াউর রহমানের গুণাবলিকে তুলে ধরতে হবে। তার জীবনীকে সচিত্র ব্যাখ্যা করতে হবে। জিয়াউর রহমানের গুণাবলির সঙ্গে একটি মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে।
রোববার বিকেলে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, বাংলাদেশে যেখানে একমতের বাইরে কোনমত থাকবে এমন নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় সেখানে তিনি একমত নয় বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। আমাদের বারবার যখনি সুযোগ আসবে তখনি আমাদের আলোচনায়, চিন্তায় তাকে নিয়ে আসতে হবে। বারবার তাকে কর্মীদের সামনে, নেতৃত্বের সামনে, তরুণদের সামনে তুলে ধরতে হবে। তার বৈশিষ্টগুলোর সাথে সবাইকে পরিচয় করাতে হবে।
সাঈদ আল নোমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সততা নিয়ে যিনি কাজ করেছেন দেশের জন্য যেখানে কোন বিতর্ক নেই। সেই জায়গায় আমাদের একটি মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে। ১৯৭১ সালে অনেক বড় বড় জেনারেল ছিলেন, কিন্তু জিয়াউর রহমান মেজর হয়েও স্বাধীনতার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি তার পজিশনকে একবারও গুরুত্ব দেননি। দ্বিতীয়টি হলো, জিয়াউর রহমান ছিন্নভিন্ন, ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকে, কিভাবে পুনর্গঠন করতে হবে তিনি বুঝেছিলেন। আর তার দূরদর্শিতা দেশকে অনেক কিছু এনে দিয়েছে। তাইতো ৫৫ বছর ধরে যেই বাংলাদেশ আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি সেই বাংলাদেশ গঠনে আমরা কাজ করতে হবে, এজন্য শহীদ জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আমরা বারবার আলাপ করব। তার সুযোগ্য সন্তান আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুগ যুগ ধরে যেই স্বপ্ন দেখছে সেটি বাস্তবায়নে কাজ করব।
সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, শিক্ষায়, চর্চায় আমাদেরকে জিয়াউর রহমানকে সামনে রাখতে হবে। তাহলেই সঠিক, মানুষের ত্যাগের জন্য রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে পারব। তার জীবন দর্শনই হোক আমাদের পথচলা।
এএস