হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

ফেনীতে ছাত্রদলের ২ বছরের কমিটি চলছে ৮ বছর

নেতাদের ছেলেমেয়েরাই স্কুল-মাদরাসার শিক্ষার্থী

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী

ছবি: আমার দেশ

ফেনী জেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন হয়েছে ২০১৮ সালের ১২ জুলাই। এর এক মাস পর ২২ অক্টোবর ৩৯৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নেতাদের প্রথমসারির সবাই বিবাহিত, কারো কারো ছেলেমেয়ে পড়ে স্কুল-মাদরাসায়।

শুধু তাই নয়, জেনারেশন গ্যাপে এসব নেতাদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মিশতে পারছেন না। ফলে সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিজ জেলা হলেও এখানে বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে ছাত্র সংগঠনটি দীর্ঘদিনের জৌলুস হারাতে বসেছে।

গঠনতন্ত্র অনুসারে দুই বছর পর পর কমিটি করার নিয়ম এখন কাগজে-কলমে। এ নিয়ে মাঝে মধ্যে পদধারী নেতাকর্মীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আক্ষেপ করলেও সেই বিষয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ের কারো কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফেনী জেলা ছাত্রদল সভাপতি সালাহউদ্দিন মামুন ২০০২ সালে ও সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন ২০০১ সালে এসএসসি পাস করেন। মামুন এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক। এদের একজন ডাক্তারপাড়ার একটি স্কুলে অধ্যয়নরত। মোরশেদ এক মেয়ের জনক।

এছাড়া সুপার ফাইভে থাকা সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরহাদ উদ্দিন চৌধুরী মিল্লাত এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন রিয়াদের একমাত্র ছেলে মাদরাসায় অধ্যায়নরত।

সহ-সভাপতিদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম আকাশ, আব্বাস পাটোয়ারী, মিজানুর রহমান রাসেল ও রিয়াদুল করিম জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। নিজাম উদ্দিন সোহাগ বর্তমানে পৌর যুবদলের সহ-সভাপতি, নাসির উদ্দিন মানিক পৌর যুবদলের সাবেক সদস্য, ইকবাল হোসেন রুমেল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব, আবুল খায়ের লিটন পরশুরাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক, আবু জাফর চৌধুরী ও রেজাউল করিম চৌধুরী লাকী ছাগলনাইয়া উপজেলা যুবদল যুগ্ম-আহবায়ক।

এছাড়া অপর সহ-সভাপতি ফখরুদ্দিন সেন্টু, মাইনুল হোসেন জ্যাকসন, ওসমান গনি মাহফুজ, বাপ্পা খন্দকার, আকবর হোসেন রনি, ইমাম হোসেন শামীম, মোজাম্মেল হোসেন রাজিব, ফখরুল করিম, সাজ্জাদ হোসেন দোলন, ইমাম হোসেন রাজন, হাসান মাহমুদ, মাইনুদ্দিন রিমন, সাইফুদ্দিন চৌধুরি মুকুল, হুমায়ুন কবির, ইউনুস রুবেল, আজহারুল ইসলাম সোহেল, ফখরুল ইসলাম সুমন, গোলাম কিবরিয়া বিবাহিত। কাজী জামশেদুর রহমান ফটিক দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ের বহিস্কার রয়েছেন।

এই কমিটির যুগ্ম-সম্পাদকদের মধ্যে মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, আলমগীর হোসেন, আলাউদ্দিন রুমন, রশিদ আহমেদ মজুমদার, কপিল উদ্দিন পাটোয়ারী, গোলাম মোর্শেদ শুভ, আবু তাহের মিয়াজী, আকরাম হোসেন রাসেল, ফজলে রাব্বি, তাজুল ইসলাম পাভেল, দ্বীন মোহাম্মদ দিদার, রহমত উল্যাহ জিংকুও বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন।

সংগঠনের বিভিন্ন সূত্র জানায়, পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনেকে ছাত্র রাজনীতিতে নিষ্প্রভ ভূমিকায় রয়েছেন। দুই বছর মেয়াদের এই কমিটি ৮ বছর পেরিয়ে যাওয়ায় পরিবারের তাগিদে কেউ আইনজীবী, কেউ প্রবাসী কিংবা ব্যবসায়ী। এই কমিটিতে থাকা প্রায় সব নেতারই এখন আর ছাত্রত্ব নেই। কারো কারো থাকলেও তারা পড়াশোনায় অনিয়মিত। এমনকি আগামী কমিটির নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের অনেকে বিবাহিত বলে জানা গেছে।

এদিকে পুনর্গঠনের কথা বলে ভেঙে দেওয়া হলেও গত দেড় বছর ধরে সদর উপজেলা কমিটি নেই। ২০২১ সালে পৌর আহবায়ক কমিটি করা হলেও ওয়ার্ড পর্যায়ে তারা কোনো কমিটি করতে পারেনি।

তৃণমূল নেতকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়েও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেমে থাকেনি। তবুও ছাত্রদলের জেলা কমিটির মেয়াদ ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও সম্মেলন হয়নি। বর্তমান কমিটির অনেকে বয়স সীমারেখায় আগামী কমিটিতে আটকে যেতে পারেন। এতে করে দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব সংকটের আশংকা করছেন তারা।

পটিয়ায় আমজু মিয়ার বলীখেলা শনিবার

‎স্বামীর নির্যাতনে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন স্ত্রী

খাগড়াছড়ি রেঞ্জ কার্যালয়ের পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার

২৪ দিন পর সচল ইস্টার্ন রিফাইনারি, শুরু হয়েছে তেল পরিশোধন

চোরাপথে আসা মসলায় সয়লাব বাজার, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

বোনের দরজার কয়েক হাত দূরেই থামল জীবন

সরকার সিদ্ধান্ত নিলে দায়িত্ব ছেড়ে দেব : কুবি উপাচার্য

ফেসবুকে মাদকবিরোধী পোস্ট করায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা, আটক ৩

চকরিয়ায় অনলাইন জুয়াড়িসহ গ্রেপ্তার ১০

ফেনীর এসপি পদে মাহবুবের পদায়ন নিয়ে রিট