হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দাপাচ্ছে থ্রি হুইলার

এম হাসান, কুমিল্লা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে থ্রি হুইলারের চলাচল বেড়েই চলেছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এসব পরিবহন অনেক সময় উল্টো পথেও চলছে। ফলে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ থ্রি হুইলার। কাগজ-কলমে এসব যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ হলেও পুলিশকে ম্যানেজ করে চলাচল করছে। এছাড়াও ভ্যানগাড়িসহ তিন চাকার ছোট যানবাহনও চলছে প্রতিনিয়ত। তাতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা, বাড়ছে যানজট।

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে থ্রি হুইলারের চলাচল বেড়েই চলেছে। দেশের ‘লাইফ লাইন’ হিসেবে পরিচিত ব্যস্ততম এ মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে সমানতালে চলছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অবৈধ যান নসিমন। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এসব পরিবহন অনেক সময় উল্টো পথেও চলছে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনায় ঝরছে প্রাণ অথবা বরণ করতে হচ্ছে পঙ্গুত্ব ।

মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আনকড়া থেকে দাউদকান্দির টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১০৪ কিলোমিটারজুড়ে এসব থ্রি হুইলার চলছে বিপজ্জনকভাবে। এছাড়াও ফিটনেসবিহীন দরজা খোলা লক্কড়ঝক্কড় মাইক্রোবাস মারুতির সংখ্যাও বাড়ছে দিনদিন। পুলিশি অভিযানেও বন্ধ হচ্ছে না নিষিদ্ধ এসব পরিবহনের বিপজ্জনক চলাচল।

জানা গেছে, মহাসড়কে থ্রি হুইলার রিকশার চালক জানান, পুলিশকে টাকা দিয়ে তারা সড়কে গাড়ি চালানোর অনুমতি নিয়েছেন। প্রতি মাসে এসব টোকেন সংগ্রহ করতে হয় বিভিন্ন মালিক সমিতি ও সংগঠনের নামে। হাইওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ ও স্থানীয় থানা পুলিশকে টাকা দিয়ে এসব গাড়ি সড়কে চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লক্কড়ঝক্কড় এক মারুতির চালক বলেন, আমরা প্রতি মাসেই ৫০০ টাকা দিয়ে মহাসড়কে গাড়ি চালাই । কার কাছে দেই, এ বিষয়ে জানতে চাইয়েন না। সব চালকই প্রতি মাসে টাকা দিয়ে মহাসড়কে গাড়ি চালায় । ৫ আগস্টের আগে যেমন ছিল, এখনো একই অবস্থা । কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী কাভার্ড ভ্যানের চালক শামীম হোসেন জানান, চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে মহাসড়কে বেশি চলাচল করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা । এগুলো কোনো নিয়মকানুন মানে না। তাদের কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। পুলিশের তদারক চোখে পড়ে না।

কুমিল্লার মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের কিছু সদস্য জড়িত। বিভিন্ন স্থানে লাইনম্যান টাকা ওঠায় । তবে সে টাকা হাইওয়ে পুলিশ পায় না।

কুমিল্লার ময়নামতি হাইওয়ে থানার ইনচার্জ ইকবাল বাহার মজুমদার আমার দেশকে বলেন, ২৭টি মামলা দিয়েছি। মহাসড়কে সিএনজি পাম্প হওয়ার কারণে সিএনজিগুলো মহাসড়কমুখী। সার্ভিস লেন না থাকায় এগুলো বন্ধ করা যাচ্ছে না। মহাসড়কের পাশে ঘনবসতি ‌। এজন্য মানুষ মহাসড়কে সিএনজি নিয়ে চলাচল করে।

কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম খান আমার দেশকে বলেন, মহাসড়কের সিএনজি এবং অটোরিকশা বন্ধে আমরা প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে দেড়শ মামলা দিচ্ছি। আমাদের জনবল সংকট রয়েছে । প্রতিদিন এক হাজার মামলা দিলে মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধ করা সম্ভব।

মাসিক টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে কিছু পুলিশ সদস্য জড়িত, এ ধরনের অভিযোগ রয়েছেÑ এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে আ. লীগ নেতাদের প্রকাশ্য তৎপরতা

গোপালগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

পটিয়ায় বাসের ধাক্কায় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা নিহত

ইসলামী আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি যোগ দিলেন জামায়াতে

মেম্বারের ছেলের হাঁস চুরির বিচার করায় তিনজনকে কুপিয়ে জখম

সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁওয়ে বিএনপির ২০ নেতা বহিষ্কার

এবার টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুরের কবরে গোবিন্দ প্রামানিক

গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল নিক্ষেপ

ধামরাইকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত করব : মুফতি আশরাফ

ফরিদপুরে থানা থেকে লুট হওয়া গোলাবারুদ উদ্ধার