ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় বাস স্ট্যান্ডে ঈদে ঘর মুখো মানুষের চাপ বাড়ছে। মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের আধিক্য ও গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানোর কারনে যানজট লাগায় থেকে থেমে চলছে যানবাহন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, উত্তর বঙ্গের ২২টি জেলার কয়েক লাখ মানুষ চন্দ্রা ত্রিমোড় বাসস্ট্যান্ড থেকে যাতায়াত করে থাকে। এবছর সচেতন যাত্রীরা ভাল মানের বাস সার্ভিস গুলোর টিকেট অনলাইন বা অফলাইনে ক্রয় করে নেওয়ায় ঢাকা কাউন্টারের সব সিট ইতিমধ্যেই বুকিং হয়ে গেছে। এখন আর সিট অবশিষ্ট না থাকায় গাড়ি ঢাকা কাউন্টারে না গিয়ে বিশেষ ব্যাবস্থায় চন্দ্রা ত্রিমোড় থেকে যাত্রী নিয়ে চলে যাচ্ছে বিভিন্ন গন্তব্যে। চন্দ্রা ত্রিমোড় বাসস্ট্যান্ড গাড়ি ঘোরানো, পার্কিং করা ও যাত্রী উঠানোতে বেশ সময় লাগার কারনে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয় জান্নাত পরিবহনের সুপারভাইজার মানিক মিয়া বলেন, চন্দ্রা থেকে আমাদের গাড়ি লোডের ব্যবস্থা আছে। তাই ঢাকা যেতে হয়না। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ঝাড়বাড়ি এলাকার যাত্রী জামাল উদ্দিন আক্ষেপ করে জানান ৭শ টাকা ভাড়ার মধ্যে এবার আমি অনলাইনে ১৪ শ টাকায় ২৫ এক্সপ্রেস সার্ভিসের টিকিট নিয়েছি।
রংপুরগামী আকাশ পরিবহনের ড্রাইভার রাসেল বলেন, গাড়ি গুলো ঢাকা না গিয়ে এখানেই ঘোরছে, আবার ভাড়া মিটিয়ে যাত্রী গাড়িতে উঠানো সব মিলিয়ে কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে আমরা ধির গতিতে থেমে থেমে অগ্রসর হচ্ছি।
এ বিষয় জানতে চাইলে নাওজোড় হাইওয়ে থানার ওসি সাওগাত হোসেন জানান, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি হওয়াতে একসাথে অনেক যাত্রী কালিয়াকৈরের চন্দ্রায় নেমে এসেছে। তাই মহাসড়কে চাপ বেড়েছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ নির্দশনায় ৬শ পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। সেইসাথে ড্রোন উড়িয়ে নিয়মিত নজরদারি করছি। এদিকে সড়ক পরিবহনের লোকজন আমাদের সহযোগিতা করায় সব মিলিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।