শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলায় ১০ মাসে কোরআনে হাফেজ হয়েছেন সিফাত উল্লাহ। অল্প সময়ের মধ্যে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ করায় আনন্দিত তার পরিবার এবং শিক্ষকরা।
গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার কোটালীপাড়া গ্রামের মাহমুদুল ইসলামের ছেলে হাফেজ। সে নড়িয়া উপজেলা দক্ষিণ কেদারপুর এলাকার আল-কোরআন একাডেমির হেফজ বিভাগের ছাত্র। সিফাত উল্লাহ বলেন, আল্লাহর প্রতি অনেক শুকরিয়া তিনি মাত্র ১০ মাসেই আমাকে হাফেজ হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন। ভবিষ্যতে আমি আলেম হব এবং কোরআনের খেদমত করব। তার বাবা শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার এস আর মসজিদে পেস ইমাম হিসেবে চাকরিরত। সেই জন্য তার পরিবার এখানেই থাকে এবং স্থানীয় আল-কোরআন একাডেমিতে পড়াশোনার জন্য ভর্তি করেন। তার বাবা মাহমুদুল ইসলাম বলেন, তার ছেলে ছোট থেকেই অনেক মেধাবী। প্রথমে তিনি তার ছেলেকে উপজেলার মধ্যে ভালো প্রতিষ্ঠান দেখে আল-কোরআন একাডেমিতে ভর্তি করেন। কায়দা থেকেই ভালো করছিল, পরে হেফজ বিভাগে লেখাপড়া করবে। শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমার স্বপ্ন ছেলে বড় হয়ে একজন হক্কানি আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত করবে।
আল-কোরআন একাডেমির হেফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, আমি শুকরিয়া জানাই, এখানে সিফাত উল্লাহ মাত্র ১০ মাস ১৭ দিনে কোরআনের হাফেজ হয়েছে। অনেকে ১৪ মাসে হাফেজ হয়। আমি ওর সাফল্য কামনা করি।
আল-কোরআন একাডেমির প্রধান শিক্ষক মাওলানা বেলাল হোসেন বলেন, সিফাত উল্লাহ হেফজ বিভাগে ভর্তি হয়। পরে প্রতিদিন ৫, ৮ ও ১০ পৃষ্ঠা করে সবক দিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ সে তার প্রচেষ্টায় মাত্র ১০ মাস ১৭ দিনে কোরআন মুখস্থ করেছে।