হোম > সারা দেশ > ঢাকা

মহাসড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই সংস্কারকাজ

মো. আল-আমিন, শরীয়তপুর

শরীয়তপুর–ঢাকা মহাসড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই পুরোদমে চলছে সংস্কার। আমার দেশ

শরীয়তপুর–ঢাকা মহাসড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে সংস্কারকাজ । এই মহাসড়কে উন্নয়নের এ চিত্র এখন ভয় আর শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কের মাঝখানে থাকা বিদ্যুতের আটটি খুঁটি রেখেই চলছে সড়ক প্রশস্তকরণ ও চার লেনে উন্নীত করার কাজ। ঝুঁকিপূর্ণ এসব খুঁটি অপসারণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে এ মহাসড়কে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে ঢাকায় সহজ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে ২৭ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। ভূমি অধিগ্রহণ ও নির্মাণ ব্যয়সহ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। তিনটি প্যাকেজে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পই জেলার প্রধান যোগাযোগমাধ্যম। তবে নানা জটিলতায় গত সাত বছর ধরে কাজ চলেছে ধীরগতিতে।

বর্তমানে সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। এতে সড়কের মধ্যে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিগুলো অপসারণ করা জরুরি হলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগকে লিখিতভাবে খুঁটি সরানোর অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি একাধিকবার মৌখিকভাবেও তাগিদ দেওয়া হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় বাধ্য হয়েই খুঁটি রেখেই কাজ শুরু করতে হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নয়ন কাজ শুরু হলেও নিরাপত্তার বিষয়টি একেবারেই উপেক্ষিত। জাজিরা উপজেলার বাসিন্দা মান্নান শেখ ও শুক্কুর ফকির বলেন, দীর্ঘদিন পর সড়কের কাজ শুরু হওয়ায় আমরা খুশি। কিন্তু মহাসড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখে কাজ চললে তা ভয়াবহ বিপদের কারণ হবে। এখনই এগুলো না সরালে পরে কেউ আর গুরুত্ব দেবে না।

চালকরাও একই শঙ্কার কথা জানাচ্ছেন। প্রাইভেটকার চালক শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশের অনেক হাইওয়ে সড়কে গাড়ি চালিয়েছি, কিন্তু মহাসড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখে কাজ চলছে—এমন দৃশ্য আগে দেখিনি। এখানে গাড়ির গতি বেশি থাকে, ফলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও অনেক বেশি।

জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান বলেন, বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণের জন্য এক মাস আগেই পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মৌখিকভাবেও একাধিকবার বলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা ভেবে বাধ্য হয়েই কাজ শুরু করতে হয়েছে।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আলতাফ হোসেন বলেন, যে ঠিকাদারদের মাধ্যমে খুঁটি সরানোর কথা ছিল, তারা পালিয়ে গেছে। তবে নতুন একজন ঠিকাদারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুঁটি সরানোর কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র তৈরির কারখানায় যৌথবাহিনীর অভিযান, অস্ত্রসহ আটক ১

থানার সামনে থেকে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মেজর আখতারের নেতৃত্বে বিএনপিসহ ২ শতাধিক মানুষের জামায়াতে যোগদান

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে খুতবায় বয়ানের আহ্বান

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে পুরোদমে নির্বাচনি প্রচারে বিএনপির প্রার্থী

বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকের চালক-হেলপার নিহত, আহত ৩০ যাত্রী

ছাত্রসমাজ আর কোনো ফ্যাসিবাদ মেনে নেবে না : সাবেক শিবির সভাপতি

জনসভায় চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-যুবদলের সংঘর্ষে আহত ৩০

কেরাণীগঞ্জে বিএনপির ৩ শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

১১ দলীয় জোট ছাড়ার কারণ জানালেন চরমোনাই পীর