অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণা মামলায় খুলনায় এক আ.লীগ নেতাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সোনাডাঙ্গা আমলী আদালতের বিচারক মো. ফরিদুজ্জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। শুনানিকালে ডা. বাহার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শেখ বাহারুল আলম বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনার সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মেসার্স লুবনা জাহান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন জানান, ৯ এপ্রিল আপস-মীমাংসার শর্তে আদালত ডা. বাহারকে জামিন প্রদান করেন। পরে তিনি আপসের জন্য ডাকলেও কার্যত কোনো মীমাংসায় বসেননি। বুধবার মামলার শুনানির সময় পুনরায় আপসের কথা বলা হলে পূর্বের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় আদালত বিষয়টিকে আদালত অবমাননা হিসেবে বিবেচনা করেন এবং তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বাদী লুবনা জাহানের স্বামী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর দাবি করেন, ডা. বাহারের বিরুদ্ধে তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের পক্ষ থেকেও একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে প্রতারণা, আর্থিক অনিয়ম ও পারিবারিক বিরোধসংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজন মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
জেডএম