যশোরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অমিত
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন করা হবে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া যারা কোনো কারণে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে না; তাদের কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে তারা দেশে-বিদেশে উপযুক্ত শিক্ষা গ্রহণ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। সরকার মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত সব শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দেবে।
শনিবার বিকেলে যশোরে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে সাংবাদিকদের মেধাবী ছেলেমেয়েদের শিক্ষাবৃত্তি ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অমিত বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণে বদ্ধপরিকর।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করুন। এতে সরকার উপকৃত হবে। কিন্তু ব্যক্তিস্বার্থে সম্পর্কের অবনতিকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেবেন না, সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন না।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় না আসতেন তাহলে দেশের সংবাদমাধ্যমের বিকাশ সাধিত হতো না। তার সহধর্মিণী খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় এসে বারবার সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করেছেন।
ট্রাস্টের এমডি এম আবদুল্লাহ আগামীতে সাংবাদিকদের কল্যাণে আরো যেসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে সেগুলো বর্ণনা করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দৈনিক লোকসমাজের প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, প্রেস ক্লাব যশোরের সাবেক সম্পাদক আহসান কবীর প্রমুখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ। এ সময় ডিডিএলজি ও যশোর পৌরসভার প্রশাসক, সিনিয়র তথ্য অফিসারসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে যশোর, মাগুরা, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলার অসচ্ছল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা ও তাদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষাবৃত্তি বাবদ ২৭ লাখ টাকা দেওয়া হয়।