হোম > সারা দেশ > ময়মনসিংহ

বিএনপি নেতাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান আ. লীগ নেতা

জেলা প্রতিনিধি, জামালপুর

ওয়ার্ড আ.লীগ সভাপতি ও ইউপি সদস্য শহিনুর ইসলাম

জামালপুর সদর উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপি নেতাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান উল্লেখ করে ফেস্টুন লাগানো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জানা যায়, কেন্দুয়া কালিবাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য শহিনুর ইসলাম শাহীন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলনকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান উল্লেখ করে ফেস্টুন টানিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন। ফেস্টুনের ছবি তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতেও পোস্ট করেন।

বিষয়টি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেন্দুয়া কালিবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্তর্গত ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শহিনুর ইসলাম শাহীন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তিনি টানা দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদও পান। সে সময় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের অর্থ ও লোকবল দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন শাহীন।

তবে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরও তিনি বহাল তবিয়তে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে জেলার অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের অনেকেই পলাতক, মামলার আসামি কিংবা কারাগারে থাকলেও শাহিনুর ইসলাম শাহীন এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেন্দুয়া কালিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন সাইফুল ইসলাম খান। ৫ আগস্টের পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান। পরে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলনের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে রেজুলেশন করে তার আত্মীয় মিজানুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য শহিনুর ইসলাম শাহীন বলেন, “রুহুল আমিন মিলনের সঙ্গে আগে থেকেই আমার সম্পর্ক রয়েছে। আমরা একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন, তাই আমি প্রচার করেছি। ইনশাল্লাহ তাকে নির্বাচনও করিয়ে দেব। আমার বিরুদ্ধে আনা অন্য অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট।”

এ বিষয়ে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন মিলন বলেন, “তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। সে ফেস্টুন দিয়েছে কি না আমি জানি না। আমি তাকে কোনো আশ্রয় দিইনি। অন্যদের মতো সেও এলাকায় আছে।”

নকলায় পানি সেচতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে-এটাই সরকারের প্রত্যাশা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

শেরপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

নারীকে স্বাবলম্বী হতে হলে পড়াশোনার বিকল্প নেই: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

নালিতাবাড়ীতে টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়ম, ভোক্তাদের পণ্য উধাও

শ্রীবরদীতে বেড়েছে ভুট্টার আবাদ, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

মেলান্দহে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা আদায়, সত্যতা পেলো তদন্ত কমিটি

জামালপুরে সাংবাদিকের বাড়িতে চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার লুট

শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী খাবার মহিষ দুধের টক দই