হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

বগুড়ায় মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

সবুর শাহ্ লোটাস, বগুড়া

বগুড়ার শুকনা মরিচের কদর সারা দেশে। এবার জেলার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলে রবি মৌসুমের মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। এর বাইরে গাবতলী উপজেলায়ও আশানুরূপ আবাদ হয়েছে মরিচের।

ইতোমধ্যে গাছ থেকে মরিচ তোলা শেষ হয়েছে। এখন চলছে শুকানো ও বাছাইয়ের কাজ। এ কাজে শত শত নারী শ্রমিক ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাট-বাজারে লেগেছে বিক্রির ধুম। এ বছর ভালো ফলনে চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।

মরিচ নিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে যমুনাবিধৌত চরাঞ্চলের উপজেলাগুলোয়। পাশাপাশি ১০-১২টি কোম্পানি মরিচ কিনছে এখান থেকে। গত সাত দিনে শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে প্রতি মণে তিন হাজার টাকা। মরিচের এ দামে কৃষকরা মহাখুশি। তবে কয়েকটি কোম্পানির প্রতিনিধিরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর মরিচের দাম অনেক বেশি।

বগুড়ার যমুনা নদীর পলি পড়া চরে মরিচ চাষে ভাগ্য বদলেছে কৃষকের। সারিয়াকান্দি, গাবতলী, ধুনট এবং সোনাতলা উপজেলায় এবার সাত হাজার ১০০ একর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে, যা থেকে পাওয়া গেছে ১৮ হাজার ১৭৬ টন মরিচ।

মৌসুমে শুকনা মরিচ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে। এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। সে হিসাবে এ বছর প্রায় ৩২৭ কোটি টাকার শুকনা মরিচ বিক্রি হবে বলে আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক এনামুল হক জানান, শুধুমাত্র সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার চরে ১৭০ কোটি টাকার বেশি শুকনা মরিচ কেনাবেচা হবে। দেশের নামকরা স্কয়ার, প্রাণ, বিডি ফুডসসহ অনেক ফুড প্রোসেসিং কোম্পানি মরিচ কেনার জন্য ভিড় করছে। তারা নিবন্ধিত কৃষকদের মানসম্পন্ন মরিচ উৎপাদনের জন্য সামগ্রিক সহায়তা দিয়ে থাকে। মসলা প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো চরাঞ্চলে মরিচ বাছাই ও শুকিয়ে সেগুলো মেশিনে গুঁড়া করে প্যাকেটজাত করে বাজারে বিপণন করে।

সারিয়াকান্দি উপজেলার চরে গিয়ে দেখা গেছে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, গ্রোয়েন, বাড়ির উঠান এবং চালা মরিচে লাল হয়ে গেছে। বর্ষার আগে মরিচ শুকাতে না পারলে রঙ নষ্ট হয়ে যাবে। পাকা মরিচ শুকিয়ে বস্তা বা মাটির বড় বড় পাত্রে এমনভাবে রাখা হয়, যেন মরিচের গায়ে বাতাস না লাগে। তবে বিভিন্ন কোম্পানির পক্ষে শুকনা মরিচ সংগ্রহের জন্য স্থায়ীভাবে আড়ত তৈরি করা হয়েছে, যেখানে মচির রাখলে বাতাস না লাগে। সেখানে শত শত নারী শ্রমিক কাজ করছেন, যাদের মজুরি প্রতিদিন ২০০-৩০০ টাকা বলে জানিয়েছেন সারিযাকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল হালিম।

কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা মরিচ চাষে খরচ পড়ে ২০ হাজার টাকা। হাইব্রিড মরিচের বীজের দাম প্রতি কেজি ৭০ হাজার টাকা। বিঘাপ্রতি এবার মরিচের ফলন (শুকনা আকারের) হয়েছে ৮-৯ মণ। প্রতি মণ মরিচ বিক্রি হচ্ছে ছয় থেকে আট হাজার টাকায়। এতে কৃষকের বিঘাপ্রতি লাভ থাকে ৪০ হাজার টাকা। মরিচের মান যত ভালো হবে, দাম তত বেশি হবে।

অতিরিক্ত উপপরিচালক এনামুল হক জানান, রবি মৌসুমের মরিচের সিংহভাগ উৎপাদন হয়ে থাকে সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার চরে। এর বাইরে আলাদাভাবে কাঁচামরিচ চাষ হয়।

আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ বছর মরিচ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানালেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন। তিনি জানান, রবি মৌসুমের মরিচের পর এখন বর্ষাকালীন খরিপ-২ মরিচের জন্য প্রস্তুতি নেবেন কৃষক।

‘এক পাও সরবো না’- বিএসএফকে বিজিবির কড়া হুঁশিয়ারি

দেয়াল কেটে ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা লুট

শিবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ঠেকাল বিজিবি

পাবনার জন্য ১৮০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, ব্যাপক উন্নয়নের আশা স্থানীয়দের

ইউএস নিউজ বেস্ট গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশসেরা রাবি

রাজশাহীতে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ, অধিকাংশই সমকামী

গুরুদাসপুরের চলনবিলে সাউন্ড সিস্টেমসহ চার নৌকা আটক

ভাড়া বাসায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সংবাদ করায় কারাগারে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক

চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, তিন শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার