হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

বগুড়ায় আলুর বাম্পার ফলন, ছাড়াতে পারে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

সবুর শাহ্ লোটাস, বগুড়া

ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশেই বগুড়ার আলুর বেশ কদর। এ অঞ্চলে আলুর বাম্পার ফলনে প্রতিবছরই বাড়ছে চাষের জমি। ভালো ফলন ও দাম পেয়ে কৃষকও খুশি। আগাম জাতের আলু চাষ করে সেই জমিতে আবার অন্য ফসলও চাষ করা হচ্ছে। এতে বেশি লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। পেঁয়াজ নিয়ে দেশে হুলুস্থুল হলেও আলুর দাম নিয়ে কোনো কথা নেই। প্রায় একই দামে সারা বছর বিক্রি হয়ে আসছে। চলতি বছর জেলায় আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সোয়া ১২ লাখ টন। তবে উচ্চ ফলনশীল জাত ব্যবহারের কারণে শেষ পর্যন্ত ফলন সাড়ে ১২ লাখ টনে দাঁড়াবে বলে প্রত্যাশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, কৃষি অফিস থেকে উচ্চ ফলনশীল আলু আবাদ এবং জৈবসার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা হয়েছে। ফলে এবার জেলায় আলুর উৎপাদন বাড়বে। ইতোমধ্যে আগাম জাতের কিছু আলু তোলা হয়েছে। এই আলু খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০-৬০ টাকা কেজি। ডিসেম্বরের শেষদিক থেকে জেলায় আলু তোলা শুরু হয়। এখনো জমিতে আলু রয়েছে। বগুড়া সদর, শিবগঞ্জ, সোনাতলা, ধুনট ও শেরপুর উপজেলায় আলুর ক্ষেত এখনো সতেজ। 

বগুড়ার বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে প্রকারভেদে ৬০০-৭৫০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। খুচরা বাজারে একটু বেশি। প্রতি কেজি পাকরী আলু ২৫ টাকা, রোমানা ও কার্ডনাল ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান শহরের ফতেহ আলী বাজারের দোকানদার মামুন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় ২০১১-১২ মৌসুমে আলু চাষের পর ফলন পাওয়া যায় ১১ লাখ সাত হাজার ২২৫ টন। ২০১২-১৩ মৌসুমে ফলন হয় ১১ লাখ ৩৪ হাজার ১৫০ টন। এরপর থেকে দিন যতই গড়িয়েছে, আলুর ফলনও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর আলুর ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৭৩৮ হাজার টন। এখন পর্যন্ত জেলায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ১২ লাখ টনে দাঁড়াবে।

সদর উপজেলার সাবগ্রাম এলাকার আলুচাষি রফিক ইসলাম জানান, আলু গাছ বেশ সতেজ রয়েছে। এবার কোল্ড ইনজুরি ও লেট ব্রাইট রোগ হয়নি। জমির বেড বাঁধাই করার পর থেকে জমিতে আলু গাছগুলো লম্বা হয়েছে। ছোট ছোট ডালপালা ছড়িয়েছে।

তিনি বলেন, গত বছর ভালো ফলন পেয়েছি। এ বছরও ভালো ফলন পাব। ইতোমধ্যেই বাজারে আলু বিক্রি শুরু করেছেন বলে জানান তিনি।

সদর উপজেলার আশোকোলা গ্রামের শুকু হোসেন জানান, প্রতিবছর এক বিঘায় আলু আবাদ করেন তিনি। এ বছরও চাষ করা হয়েছে। ভালো ফলন পেয়েছেন তিনি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল কাশেম আযাদ জানান, চলতি বছর ঝড়-বৃষ্টি হয়নি। এছাড়া আমন ধান কাটতে দেরি হয়েছে। সে কারণে আলু আবাদে অনেক চাষি পিছিয়ে পড়েছেন। ৫৫ হাজার ৪৫৪ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আর ফলন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টন। কৃষকরা আমন ধান কেটে জমি তৈরি করে আবার আলু চাষে ঝুঁকেছেন। যারা আগে আলু চাষ করেছেন, তারা কিছু কিছু আলু তুলেছেন। এখন পুরো আলুর মৌসুম। জমি থেকে আলু তুলে চাষিরা হাট-বাজারে নিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরো জানান, বাজারে বিক্রি বা খাওয়ার জন্য ৬০-৮০ দিনের মধ্যে আলু তুলতে হয়। আর কোল্ডস্টোরেজে রাখতে আলু ৯০-৯৫ দিনের হতে হয়। জেলার ৩৩টির মতো কোল্ডস্টোরেজে দুই লাখ টনের কিছু বেশি আলু রাখা যায়।

নাটোরে নাবালিকা শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

নাটোরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের বিক্ষোভ

গুরুদাসপুরে কলেজে কাফনের কাপড় পার্সেল, আতঙ্কে শিক্ষক-কর্মচারীরা

পোড়া ইটের খোয়া ব্যবহার করে সাড়ে তিন কোটি টাকার সড়ক সংস্কার

গ্রাহক হয়রানি রোধে রাজশাহীতে অ্যাপের মাধ্যমে মিলবে তেল

যমুনা নদী এখন ধু-ধু বালুচর, নৌযানের বদলে চলে ঘোড়ার গাড়ি

নববর্ষ ঘিরে তাঁতশিল্পে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য

জিয়াউল হক জিয়া শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

পরীক্ষায় ঘাপলা বরদাস্ত করা হবে না : শিক্ষামন্ত্রী

বাগাতিপাড়ায় বড়াল নদ কেটে মাটিবাণিজ্য, নীরব প্রশাসন