নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার রাতে নিয়ামতপুর থানায় এ মামলা নিহত গৃহবধূ পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন। এদিকে হত্যায় ব্যবহারে অস্ত্র উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর বিকেলে লাশগুলো উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গতকালকেই নিহত হাবিবুরের বাবা, দুই বোন ও ভাগনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। তারা এখনো পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ওসি আরো বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশগুলো হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক সংস্থা কাজ করছে। ইতোমধ্যে হেফাজতে ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্জল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এর আলোকে নিহতদের বাড়ির পাশে একটি পুকুরে অস্ত্র তল্লাশির কাজ শুরু করা হয়েছে। হত্যাকাজে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধানে পানি সেচ করার কাজ চলছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আগুন দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
উল্লেখ্য, সোমবার মধ্যরাতে জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। একসাথে চারজনকে হত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর তৈরি হয়। নিহতরা হলেন- উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।
এডি/জেডএম