হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

ভেড়ামারায় বিএনপি কর্মী রানা হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

৫০ হাজার টাকা চুক্তিতে

উপজেলা প্রতিনিধি, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া)

গ্রেপ্তারকৃত চার আসামি। ইনসেটে নিহত সোহেল রানা। ছবি: আমার দেশ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপি কর্মী সোহেল রানাকে (৪২) হত্যা করতে ৫০ হাজার টাকার চুক্তি করেছিল হত্যাকারীরা। বিজ্ঞ আদালতে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেপ্তার করা আসামিরা। ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি প্রেস রিলিজ দিয়েছেন।

সোমবার রাত ৯টার দিকে ভেড়ামারা থানার হলরুমে তিনি সাংবাদিকদের চাঞ্চল্যকর সোহেল হত্যা মামলার সর্বশেষ তথ্য দেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর জর্ডান প্রবাসী বিএনপি কর্মী সোহেল রানাকে বিবস্ত্র করে, মুখমণ্ডল পুড়িয়ে, শরীরের স্পর্শকাতর অংশ কেটে নিয়ে উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বিলের মাঠের ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

ভেড়ামারা থানার পুলিশ চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় সুজন খলিফা ওরফে সুজন কানা, লিমন, মহিন উদ্দিন, জাহাবুল ইসলাম জাবুল ও মো. শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে মহিন, জাবুল ও শাওন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তুষার, খোকনসহ আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে ভেড়ামারা থানার পুলিশ।

মামলার তদন্তে ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অভিযুক্ত আসামিরা ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানান।

হত্যাকাণ্ডের ঠিক আগের দিন সোহেল রানার ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত সুজন কানা তার বাড়িতে তুষার, জাবুল, শাওন ও লিমনকে নিয়ে একটি মিটিং করে। এ সময় সুজন অ্যাডভান্স হিসাবে ২৫ হাজার টাকা মহিনকে দেয়, বাদবাকি হত্যাকাণ্ডের পরে দেবে বলে জানায়।

২৫ নভেম্বর সন্ধ্যার পর লিমন ও মহিন ভুক্তভোগী সোহেল রানাকে সাতবাড়িয়া বাজার থেকে হত্যাকাণ্ডের স্থল রামচন্দ্রপুর বিলের মাঠের গ্রামের রাস্তায় নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই জাবুল ও তুষার হাঁসুয়া, বাটাম, দুটি লোহার রড ও ছুরি নিয়ে অবস্থান করছিল। তুষার হাঁসুয়া দিয়ে তার মাথার পেছনে কোপ মারে এবং অন্য আসামিরা এলোপাতড়ি মারতে শুরু করে। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য মহিন তার গলায় একাধিকবার ছুরি দিয়ে আঘাত করে। তুষার তার শরীরের কাপড় খুলে ফেলে এবং মহিন ও অপর আসামি শাওন পাটখড়িতে পেট্রোল দিয়ে মুখমণ্ডল পুড়িয়ে বিকৃত করে। মৃত্যু নিশ্চিত করে মোবাইল ফোনে ছবি তুলে মহিন, জাবুল ও খোকন সুজন কানার বাড়িতে মোটরসাইকেলযোগে বাদবাকি টাকা আনতে যায়। পরবর্তীতে সেই টাকা তারা ভাগ করে নয়।

ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এবং আসামিদের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রায় সম্পূর্ণটাই মিলে গেছে। তবে মূল আসামি সুজন কানা জবানবন্দি দিতে চাইলেও পরবর্তীকালে নিজেকে সরিয়ে নেয়। সুজন কানার মদতদাতা কে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো এই মামলার কিছু রহস্য উন্মোচিত হতে বাকি রয়েছে।’

ডাম্পট্রাকের চাপায় পথচারী নিহত, দুটি ট্রাক পোড়াল জনতা

রামেকে হামের উপসর্গে আরো ১ শিশুর মৃত্যু

বাগাতিপাড়ায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়ম

চাটমোহরে দিনদুপুরে ১২ লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার চুরি

তানোরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

চাঁদা দাবি করা সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

দেশের যেকোনো উন্নয়ন গ্রাম থেকেই শুরু হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

ঘুষের ২১ লাখ টাকা ফেরতের দাবিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

সাত বছর পর অপহরণ ও হত্যা মামলার ‘ভিকটিম’ জীবিত উদ্ধার

সিরাজগঞ্জে হাসিনাসহ ২৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা