রাজশাহীর আব্দুল গণি কলেজ
জালিয়াতির অভিযোগে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আব্দুল গণি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, গভর্নিং বডির সভাপতি এবং শিক্ষক প্রতিনিধিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সাহিনুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম ও শিক্ষক প্রতিনিধি আলমাস হোসেনসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে গত ৮ মে বাঘা থানায় একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা সূত্র বলছে, জালিয়াতি মাধ্যমে নিয়োগ প্রদানের লক্ষ্যে আব্দুল গণি কলজের গভর্নিং বডির সভাপতি স্বাক্ষরিত গত ১৬ মার্চ মানবজমিন, জাতীয় অর্থনীতি এবং দৈনিক রাজশাহী পত্রিকায় ১০টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদনের শেষ তারিখ দেখানো হয় ৩০ মার্চ।
পরবর্তীতে ৩য় ও ৪র্থ গ্রেডে ৭টি পদে ২১ জন প্রার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চূড়ান্ত মনোনয়নের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা প্রশাসক এবং ডিজির প্রতিনিধির জন্য আবেদন করা হয় ২৭শে এপ্রিল।
আসামিগণ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে ৬ সপ্তাহে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আজকে জেলা ও দায়রা আদালতে হাজির হলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে গভর্নিং বডির সভাপতি সাহিনুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম ও শিক্ষক প্রতিনিধি আলমাস হোসেনকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন আদালত।
এ বিষয়ে এজাহারকারীর পক্ষে আইনজীবী শাহিন মাহমুদ জানান, আসামিদের কারাগারে প্রেরণের আদেশের মাধ্যমে বাঘার জনমনে শান্তি বিরাজ করছে। অপরাধী যত বড়ই হোক অন্যায় করলে শাস্তি পেতে হবে এটা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক।
গত ১৪ই মে যুগান্তর পত্রিকায় এই জালিয়াতির বিষয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়।