হোম > সারা দেশ > রংপুর

অবশেষে উন্মোচিত হলো বহুল প্রত্যাশিত মওলানা ভাসানী সেতু

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার তিস্তা নদীর উপর মওলানা ভাসানী সেতুর ফলক ও ম্যুরাল উন্মোচন করা হয়েছে। এ সেতুর উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে চৌরাস্তার মোড়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সেতু উদ্বোধনোত্তর মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ।

বুধবার দুপুরে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকেশৗল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ মিয়া, জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহামদ, গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকেশৗলী উজ্জল চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজ কুমার বিশ্বাস ও স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ। সেতুটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানকে ঘিরে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। চারদিকে আনন্দে মেতে উঠেছে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের চিলমারী এলাকার মানুষরা ।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি এলজিইডির একটি বৃহৎ প্রকল্প। সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেনের অর্থায়নে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করেছে। জমি অধিগ্রহণ, মূল সেতু, সংযোগ সড়ক নির্মাণ, উন্নত লাইটিং ব্যবস্থা, সম্প্রসারণ এবং নদী শাসনসহ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯৮৫ কোটি টাকা। সেতুটিতে ২৯০টি পাইল, ১৫৫টি গার্ডার, ৩০টি পিলার, ২৮টি স্প্যান বসানো হয়েছে। দুই পাশে দেড় কিলোমিটার করে নদী শাসন করা হয়েছে। ৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু সংযোগ সড়কে ৫৮ টি ব্রিজ-কালভাট নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অধিগ্রহণ করা হয়েছে ১৩৩ একর জমি।

২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি এই সেতুর ফলক উন্মোচন করা হলেও নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২১ সালে। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে অবকাঠামোর কাজ শেষ হলেও নানা জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে জণসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হলো সেতুটি।

এরফলে দুই জেলার সরাসরি সংযুক্ত মধ্যে দিয়ে সড়কপথে যাতায়াতের সময় প্রায় ৪ ঘণ্টা কমে আসবে। সেই সাথে সড়ক পথে ঢাকার দুরুত্ব কমবে ১৩৫ কিলোমিটার। সেতুটি খুলে দেওয়ায় দুই পাড়ের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জীবনমানে বড় পরিবর্তন আসবে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।

বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, যাতায়াত ও কৃষি পণ্য পরিবহন সহজ হবে। নিশ্চিত হবে ফসলের ন্যায্যমূল্য। বাড়বে এ এলাকার শিক্ষার হার। যা এই অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন, বুড়িমারী স্থলবন্দর বন্ধ থাকবে ৪ দিন

গঙ্গাচড়ায় স্কুলছাত্রীসহ দুই গৃহবধূর আত্মহত্যা

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন বিলকিস ইসলাম

কাল এসএসসি পরীক্ষা, প্রবেশ পত্রে ভুলে ১৪৩ পরীক্ষার্থী অনিশ্চিয়তায়

নীলফামারীতে গৃহবধূ হত্যা মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

জলঢাকায় বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ১

বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্বপ্ন দেখছেন একদল খুদে বিজ্ঞানী

রুপগঞ্জ থেকে অপহৃত শিশু ফুলছড়ি থেকে উদ্ধার, আটক যুবক

সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ভারতীয় স্বর্ণ, কাতান শাড়ি জব্দ

দিনাজপুরে মধ্যরাতে আগুনে পুড়ে দম্পতির মৃত্যু