হোম > সারা দেশ > রংপুর

প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি ফ্যামিলি কার্ড যাবে, উপকারভোগী নির্বাচন হবে কম্পিউটারে

ডা. জাহিদ

রংপুর অফিস

সমাজকল্যাণ ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাবে, কারও সেখানে যেতে হবে না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং সেই তথ্য কম্পিউটারে আপলোডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হবে কারা ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত।

শনিবার একদিনের সফরে রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড পাবে সবাই। তবে উপকারভোগী নির্বাচন হবে কম্পিউটারের মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে। এতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না।”

দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। জনগণ ও সংসদের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। দুর্নীতি করলে কাউকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, অতীত সরকারের সময় অনেক ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ছিল না। বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এ বিষয়ে কাজ করছে।

শিক্ষা ও প্রতিবন্ধী সেবার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের ১ হাজার ৭০০টি প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মানোন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় মানসম্মত প্রতিবন্ধী স্কুল এবং প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে স্কুল স্থাপনের কাজ চলছে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রশিক্ষিত শিক্ষক সংকট।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিবন্ধী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য মাত্র একটি কলেজ রয়েছে, যেখানে বিশেষায়িত শিক্ষক তৈরি করা হয়।

পরিদর্শনকালে সমাজসেবা অধিদপ্তরের একটি কক্ষে অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, “এই রুমের চেয়ার-টেবিলগুলো দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি। আপনারা কি এখানে ১৫ দিনের মধ্যে একদিনও বসেননি?”

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অতীতে নির্বাচন ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ভোটার উপস্থিতি ছাড়াই ভোট সম্পন্ন হয়েছে এবং ‘ডামি নির্বাচন’ হয়েছে। এর ফলে জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা কমে গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের বাজেটে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, “আপনারা যত বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াবেন, সরকার তত বেশি আপনাদের পাশে থাকবে। সমস্যা লুকিয়ে রাখলে সমাধান হবে না—এগুলো উপজেলা থেকে জেলা হয়ে কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে।”

এর আগে মন্ত্রী রংপুর সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারী সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা।

‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাও’ আন্দোলন সফল হয়েছে

আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই: এটিএম আজহার

ইসলামী শ্রমনীতি শ্রমিকের মর্যাদা ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করে: অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান

পাটগ্রাম সীমান্তে ফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি-জনতা

নীলফামারীতে মাদকবিরোধী আন্তঃওয়ার্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ইপিজেড কর্মী নিহত, চালক হাসপাতালে

বিরোধীদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে: রংপুরে এ টি এম আজহার

তারাগঞ্জে বিলুপ্তির পথে গ্রামীণ ঐতিহ্য ঢেঁকি

তারাগঞ্জে উদ্ধার করা কঙ্কাল শহির উদ্দিনের, দাবি পরিবারের

শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার জয়, রংপুরে বাঁধভাঙ্গা উল্লাস