হোম > সারা দেশ > সিলেট

হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

উপজেলা প্রতিনিধি, ওসমানীনগর (সিলেট)

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় সংঘটিত সামাদ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আদালত ও থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ একই গ্রামের আব্দুল কাছির মিয়ার স্ত্রী সাজনা বেগম বাদী হয়ে সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া ২৮ মার্চ আব্দুল মোক্তারের স্ত্রী লায়লা বেগম ওসমানীনগর থানায় পৃথক আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অন্যদিকে, গত ৮ মার্চ সংঘটিত সামাদ আহমদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ডলি বেগম বাদি হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে ওসমানীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৫) দায়ের করেন। এ মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও প্রধান আসামি সাকিল মিয়া এখনও পলাতক রয়েছে।

তবে ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মুরশেদুল আলম ভূইয়া জানান, প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে সামাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পক্ষে-বিপক্ষে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত ৯ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য অবস্থায় থাকা সাজনা বেগমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা ও কাচের জানালা ভাঙচুর করা হয়। পরে ঘরে ঢুকে নগদ টাকা, পাওয়ার টিলারের যন্ত্রাংশ, মেশিনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।

একইভাবে, গত ২৬ মার্চ দুপুর ২টার দিকে অজ্ঞাতনামা একদল ব্যক্তি লায়লা বেগমের বাড়ির পাশ থেকে ৪টি ছাগল, ৫টি মুরগি, বাঁশ এবং পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এমনকি রাতে পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরদিন ২৮ মার্চ সকালে ঘুম থেকে উঠে লায়লা বেগম দেখতে পান তার বাড়ির পানির মোটরটিও চুরি হয়ে গেছে। এতে করে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন।

অভিযোগকারী সাজনা বেগম বলেন, রাস্তা সংক্রান্ত একটি সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হন। এরপর সন্দেহভাজন হিসেবে আমাদের বাড়ির পুরুষদের গ্রেপ্তার করা হলে প্রতিপক্ষ আমাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু করে।

লায়লা বেগমও অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রতিপক্ষ সাজ্জাদ গং আমাদের নিয়মিত ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। পুরুষশূন্য বাড়িতে আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ সাজ্জাদ মিয়া বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে আমাদের বিরুদ্ধে অব্যাহত মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে। হামলা ও লুটপাটের বিষয়টি সম্পূর্ণ সাজানো।

উল্লেখ, গত ৬ মার্চ শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের কিত্তে কমরপুর (সিকন্দরপুর) গ্রামে মাশুক মিয়ার বাড়িতে রাস্তা সংক্রান্ত একটি সালিশ বৈঠকে ছুরিকাঘাতে সামাদ আহমদ নিহত হন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামি এখনও গ্রেপ্তার হয়নি।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।

‘বৃত্তির শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের আলোকবর্তিকা’

সিলেটে বাড়ছে হামের সংক্রমণ, পাঁচ দিনে আক্রান্ত ৩৯

ভূমধ্যসাগরে জগন্নাথপুরের ৫ তরুণের মৃত্যু: পাঁচ দালালের বিরুদ্ধে মামলা

সরকারি চাল পাচারের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা কারাগারে

অগ্নিকাণ্ডে সব হারিয়ে নিঃস্ব এখন পারভেজ

মৌলভীবাজারে ৬ জনের হাম শনাক্ত

ভূমধ্যসাগরে ১২ যুবকের প্রাণহানি: ৯ দালালের বিরুদ্ধে দুই মামলা

একমাত্র ছেলের শোকে প্রবাসী বাবা আইসিইউতে

সোয়া ৩ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

শ্রীমঙ্গলে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২