সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার কাইল্যানী উপ-প্রকল্পের ২০ নম্বর পিআইসি বাঁধের ভাঙন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই বাঁধ উপচে পানি ঢোকা শুরু করে। পরে ধীরে ধীরে বাঁধের কিছু অংশ ভেঙে পড়তে থাকে। খবর পেয়ে ভোর থেকেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষকরা। তারা জিও ব্যাগ, বাঁশসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে বাঁধ রক্ষায় কাজ শুরু করেন।
শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাঁধ মেরামতের কাজ চলমান ছিল।
পিআইসি বাঁধটির সভাপতি মো. লাল মিয়া জানান, টানা বৃষ্টির ফলে মাটি ক্ষয় হয়ে বাঁধটি নিচু হয়ে যায়। বাঁধটি রক্ষার জন্য আমি সারারাত ঘটনাস্থলে ছিলাম। সকাল থেকে অন্য পাশেও কাজ করতে হচ্ছে।
বাঁধ রক্ষার কাজে সকাল থেকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল বাশার। তিনি বলেন,ভোর থেকেই আমরা সম্মিলিতভাবে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করছি। আগের তুলনায় বাঁধটি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
উপজেলা কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, শালদিঘা হাওরে প্রায় ৩০০ হেক্টর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ হেক্টর জমি পাকার আগেই জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত ১৬০ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, বাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে যাই। বাঁধ রক্ষায় আমরা ভোর থেকেই করছি। আশা করছি দ্রুতই বাঁধটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
জেডএম