হোম > বাণিজ্য

উদ্ভাবনে জোর দিয়ে পোশাকশিল্পের নতুন যাত্রার উদ্যোগ

নভেম্বরে প্রথম ‘টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো’

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১২ থেকে ১৪ নভেম্বর ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত হবে। এটি দেশের উদ্ভাবনী পণ্য, প্রক্রিয়া, প্রযুক্তি ও সেবার সক্ষমতা বিশ্ববাজারের ব্র্যান্ডগুলোর সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রথম উদ্ভাবনকেন্দ্রিক প্রদর্শনী। এটিকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পকে শুধু কম খরচের শ্রম ও ব্যাপক উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ক্রমান্বয়ে উদ্ভাবননির্ভর উৎপাদন গন্তব্যে রূপান্তর করার উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন শিল্পনেতারা।

সোমবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা এমনটা জানিয়েছেন। প্রদর্শনীটির আয়োজন করছে টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ (টিআইই), সহ-আয়োজক টেক্সটাইল ইনোভেশন সেন্টার (টিআইসি), সহযোগিতায় ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি)। অংশীদার হিসেবে আছে নিট পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএ ও বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ)। প্রদর্শনীটি বাস্তবায়ন করছে টেক্সটাইল টুডে ইনোভেশন হাব (টিটিআইএইচ)।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন, বিজিএমইএর পরিচালক ইমরান কাদের তূর্য, বিজিবিএর সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ, আইটিইটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমায়েল মুহাম্মদ মল্লিক, আইটিইটির মহাসচিব ও টিআইই স্টিয়ারিং বোর্ডের সদস্য প্রকৌশলী এ এস এম হাফিজুর রহমান নিক্সন, টিআইই চেয়ারম্যান ও টিটিআইএইচের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইহসানুল করিম কায়সার।

বক্তারা জানান, এই প্রদর্শনীতে ব্র্যান্ড ও ক্রেতারা উৎপাদক ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের সক্ষমতা ও মানসিকতা সম্পর্কে ধারণা পাবেন। বাজারে কার্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে, এমনকি সময়ের প্রবণতার চেয়েও এগিয়ে থাকতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন গ্রহণে তাদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতাও এখানে তুলে ধরা হবে। আয়োজকদের দাবি, উদ্যোগটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু পণ্য প্রদর্শনীর আয়োজন নয়। বরং প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তাদের উদ্ভাবন, অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগের পেছনের গল্প দর্শনার্থী, ব্র্যান্ড, ক্রেতা এবং অংশীজনদের সামনে তুলে ধরবে। এতে গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, স্টার্টআপ, উদ্ভাবক ও কারখানা প্রকৌশলীরা শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের সমাধান উপস্থাপন করবেন।

আয়োজকেরা আশা করছেন, প্রায় ৫০টি টেক্সটাইল, পোশাক ও অ্যাকসেসরিজ কারখানা এবং ২০০টি প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আয়োজনে অংশ নেবে। প্রায় ৫,০০০ দর্শনার্থী, ১০০টি ব্র্যান্ড ও ক্রেতা এবং ৩০টির বেশি দেশের ২০০ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে এ এস এম হাফিজুর রহমান নিক্সন বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পের পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং ‘ব্র্যান্ড ফ্রম বাংলাদেশ’ স্লোগানকে শক্তিশালী করাই এ আয়োজনের লক্ষ্য।

আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের টেক্সটাইলশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। উৎপাদন ব্যয় কমানো, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বিজিবিএর প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল হামিদ বলেন, বিশ্ববাজারে উচ্চ মান ও বৈচিত্র্যময় পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। তবে আমদানিনির্ভর কাঁচামাল ও বাড়তি জ্বালানি ব্যয় দেশের পোশাকশিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। পাট ও তুলার মিশ্রণসহ নতুন উপকরণ নিয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবন বাড়ানো গেলে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন তিনি।

উনসত্তর থেকে ছাব্বিশ: অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যারা

এক প্রতিষ্ঠান থেকে তিন পরিচালক নিয়োগের সুযোগ পেল ব্র্যাক ব্যাংক

বেক্সিমকো গ্রুপের দুই প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংকের

দেশে তিন মাসে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১২.৭৮ শতাংশ

সুদহারের সীমা মানছে না ৫৬ ব্যাংক

বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় বাধা সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব

সংসার চালাতে হিমশিম নিম্ন ও মধ্যবিত্ত

নামমাত্র জনবলে শত শত কোম্পানির নিরীক্ষা, গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন

৩৫ বীমা কোম্পানির কাছে পাওনা ৪৬৬০ কোটি টাকা

কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ, বেড়েছে বৈদেশিক ঋণ