হোম > বাণিজ্য > ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

এইচএসবিসির বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ দাবি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

ছবি: আমার দেশ

রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের পর চাকরি হারানো এইচএসবিসি বাংলাদেশের একদল কর্মকর্তা ব্যাংকটির বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে বিভ্রান্ত করা এবং কর্মীদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের পক্ষে আলমগীর কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন—মোস্তাফিজুর রহমান, মনজুর মোরশেদ, সুবক্ত গিন মাহমুদ, আবু রায়হান এবং তাঁদের আইনজীবী মোকাররাম হোসেন সাকলাইন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, চলতি বছরের ৩১ মার্চ রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের অংশ হিসেবে ২৫৭ জন কর্মকর্তার চাকরি শেষ করা হলেও শ্রম আইনে নির্ধারিত ছাঁটাই-সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করা হয়নি।

তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘রিট্রেঞ্চড অফিশিয়ালস’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও কর্মীদের হাতে সাধারণ চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তারা ছাঁটাইসংক্রান্ত আইনগত সুবিধা ও ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি এবং শ্রম আইনের একাধিক ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে অর্থ কর্তন, ঋণ সমন্বয়ের পদ্ধতি, পুনর্নিয়োগে বৈষম্য, হোম লোনের সুদের হার বৃদ্ধি এবং রিলিজ লেটার আটকে রাখার মতো বিষয়ও তুলে ধরা হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের দাবি, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় একই ধরনের পুনর্গঠনের সময় কর্মীদের তুলনামূলক বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও বাংলাদেশে তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংক, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম পরিদর্শন অধিদপ্তরের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—ছাঁটাই প্রক্রিয়া আইনগতভাবে পর্যালোচনা করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ন্যায্য সেভারেন্স সুবিধা ও অন্যান্য প্রাপ্য পরিশোধ এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ অন্যান্য পাওনা থেকে কেটে নেওয়া অর্থ সুদ ও জরিমানাসহ ফেরত দেওয়া।

এমবি

পুনঃতফসিল ঋণের বড় অংশই শিল্প খাতের

ব্যাংক থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৩ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ সরকারের

ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু

ঋণখেলাপি থেকে বাঁচাতে সিটি গ্রুপকে বিশেষ সুবিধা

আজ বন্ধ থাকবে ব্যাংকের লেনদেন

বেসরকারি ঋণে লাগাম নতুন মুদ্রানীতিতে

সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় বুধবার থেকে ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে মুদ্রানীতি ঘোষণা

সুদ বাড়িয়েও মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি কমানো যায়নি

ব্যাংক নোট কখন, কেন বাতিল করা হয়