হোম > বাণিজ্য > অর্থনীতি

নতুন সরকারের বাজেট উচ্চাভিলাষী

আমার দেশকে আহসান এইচ মনসুর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, নতুন সরকারের বাজেট একটু উচ্চাভিলাষী। এখন বাজেট বাস্তবায়নেই বড় চ্যালেঞ্জ। গতকাল বৃহস্পতিবার তাৎক্ষণিক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় আমার দেশকে এ কথা বলেন তিনি।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, রাজস্ব আয়ের পরিস্থিতি ভালো না। ঋণের ওপর নির্ভর করেই বাজেট বাস্তবায়ন করতে হয়। ঋণের বড় অংশই আসে ব্যাংকিং খাত থেকে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের টালমাটাল অবস্থা। ব্যাংক খাত থেকে সরকার ঋণ নেওয়ার কারণে বেসরকারি খাত পাচ্ছে না। বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি পাঁচ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। অন্যদিকে বিদেশি ঋণ যেই লক্ষ্যে ধরা হয়েছে, তা কতটুকু সংগ্রহ করতে পারে সেটাও লক্ষ্য করার বিষয় আছে। কারণ এখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো কর্মসূচি চালু নেই।

তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতের চলমান অস্থিরতা নিয়ে বাজেটে কোনো দৃশমান রূপরেখা নেই। এ খাতের অস্থিরতা বাজেটে ও সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়বে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকের চলমান পরিস্থিতিতে প্রভাব হবে বিপুল। এ পরিস্থিতি সরকারকে দ্রুত ম্যানেজ করতে হবে। তবে তা খুবই শান্তিপূর্ণভাবে করতে হবে। জোর করে কিছু করা যাবে না। এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হবে।

মনসুর বলেন, ইসলামী ব্যাংককে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বলে মনে হচ্ছে। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদত্যাগ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাহ্যিক প্রভাবের উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়। এ ধরনের হস্তক্ষেপ ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা তৈরি করে এবং এর প্রভাব নিয়ে আমরা অত্যন্ত চিন্তিত। আর্থিক খাতে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। আমার দৃষ্টিতে, এটি একটি অপ্রয়োজনীয় এবং নিজে থেকে ডেকে আনা সমস্যা।

তিনি বলেন, ব্যাংকটি বেশ ভালোই চলছিল। এর তারল্য পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছিল। অন্য অনেক ব্যাংকের তুলনায় আমানতের প্রবৃদ্ধিও বেশ শক্তিশালী ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া ১৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তারল্য সহায়তাও ব্যাংকটি ইতোমধ্যে পরিশোধ করে একটি শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে ফিরে এসেছিল। এখন এই পরিস্থিতির কারণে ব্যাংকটি থেকে বিপুল পরিমাণ আমানত তুলে নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই পরিস্থিতি যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়, তবে তা অবশ্যই উদ্বেগের বিষয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ গভর্নর বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় তিন কোটি গ্রাহককে সেবা দিয়ে আসছে। এসব গ্রাহকদের পরিবারের সদস্যদের হিসাব করলে প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি মানুষ পরোক্ষভাবে এই ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত। এত বড় একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এমন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা কমাতে ডিজিটালাইজেশনে জোর টিসিবির

ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার

বিশ্বব্যাংকের ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পেতে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশে উঠতে পারে, ক্রয়ক্ষমতা ও বিনিয়োগ নিয়ে নতুন উদ্বেগ

দেশে তিন মাসে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১২.৭৮ শতাংশ

কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ, বেড়েছে বৈদেশিক ঋণ

শতাধিক গ্রিন শিপইয়ার্ড করার পরিকল্পনা সরকারের

সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানের সমন্বয়ে দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্বে মডেল বাংলাদেশ

নির্মাণ-উৎপাদন খাতে মন্দা কাটছে না, স্বস্তি কৃষিতে