পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন আজ রোববার। সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ১৫টি পদে ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ডিআরইউ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহীর এ নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়বেন চারজন। যেখানে সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি আবু আলেহ আকন ছাড়াও মো. রোকন-উজ জামান, মুরসালিন নোমানী ও তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি পদে লড়াই হচ্ছে হালিম মোহাম্মদ ও মেহদী আজাদ মাসুমের।
সাধারণ সম্পাদক পদে বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ছাড়াও এ পদে লড়ছেন মাহমুদুল হাসান ও মঈনুল আহসান। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বী ছয়জন। যেখানে আকতারুজ্জামান ছাড়াও এমএম জসিম, মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ (মেজবাহ), সাঈদ শিপন, সোলাইমান সালমান ও সুশান্ত কুমার সাহা রয়েছেন।
এছাড়াও অর্থ সম্পাদক, নারী বিষয়ক, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া, আপ্যায়ন সম্পাদকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। কার্যনির্বাহী কমিটির সাতটি পদে লড়ছেন দশজন।
তবে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং কল্যাণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল শনিবার ডিআরইউ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা। সেখানে ২০২৫ সালের কমিটির গত এক বছরের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। উপস্থাপন করা হয় আয়ের-ব্যয়ের তথ্য।
ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন- সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
সভায় জানানো হয়েছে, বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর গত এক বছরে ডিআরইউয়ের নগদ অর্থের পাশাপাশি স্থায়ী আয় হিসেবে জমি বর্ধিত হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত বর্তমান কমিটির এক বছরে মোট আয় ৩ কোটি ৯০ লাখ ৭২ হাজার টাকা। ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৯০ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ টাকা। উদ্বৃত্ত রয়েছে ১৯ হাজার ৯২৮ টাকা।
সভায় আরো জানানো হয়, আগের কমিটি ঘাটতি রেখে গেলেও বর্তমান কমিটি উদ্বৃত্ত রেখে যাচ্ছে। আগে সংগঠনের আওতায় ছিল ৩৩ শতাংশ জমি। বর্তমান কমিটির উদ্যোগে আরো ৪১ শতাংশ জমি সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এতে মোট জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। যার স্থায়ী বন্দোবস্তের প্রক্রিয়া চলমান। এছাড়াও ডিআরইউ কার্যালয়ের নিচতলার ১৭টি দোকান ও ৮টি কক্ষ সংগঠনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এসব সম্পদ সংগঠনের স্থায়ী আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান ডিআরইউ নেতারা।