হোম > রাজধানী

আলেমদের সংগ্রামী ইতিহাস সংরক্ষণ ও গবেষণার দলিল ‘উত্তরাধিকার’

আমার দেশ অনলাইন

দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আলেম-ওলামাদের অবদান সংরক্ষণ, তাঁদের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁরা বলেছেন, আলেমদের অবদান যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমাদ শফি (রহ.) ও কায়েদে মিল্লাত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রহ.)-এর স্মরণে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের উদ্যোগে প্রকাশিত ‘তুরাস-এর উত্তরাধিকার’ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

শুক্রবার বায়তুল মোকাররম ইসলামি বইমেলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের সম্পাদক মাওলানা ত্বহা মাহমুদ ও সহসম্পাদক মাওলানা শারাফাত শরীফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী বলেন, ‘উত্তরাধিকার’ সংখ্যায় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখা আলেমদের অবদান তুলে ধরা হয়েছে। আল্লামা আহমাদ শফী ও আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী তাঁদের আপসহীন ভূমিকার কারণে ফ্যাসিস্ট হাসিনার রোষানলে পড়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “ধারাবাহিকভাবে আমরা অন্যান্য আলেমের অবদানও তুলে আনব। স্বাধীনতার পর থেকে দেশ ও ইসলাম রক্ষার সব আন্দোলনে আলেমদের ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু ইতিহাস থেকে তাঁদের অবদান মুছে ফেলা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁদের উত্তরাধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেই ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের এই উদ্যোগ।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আলেম-ওলামাদের কারও রাজনৈতিক খেলার গুটি না হয়ে নিজেদের সুনির্দিষ্ট নীতি ও শক্তির ওপর দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় সুষ্ঠু ভূমিকা পালনের জন্য তাঁদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিনিধি মাওলানা গাজী ইয়াকুব বলেন, “আমি ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে সাড়ে চার ঘণ্টা সঞ্চালনা করেছি। করোনার সময় সাড়ে চার হাজার লাশ নিজে দাফন করেছি। অথচ আমাদের মেইনস্ট্রিম থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।”

বিগত সরকারের আমলে আলেমদের ওপর নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে আলেমদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবং তাঁরা নানা ধরনের অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি শহীদের পরিবারের বক্তব্য নিয়ে আরও আগেই প্রাতিষ্ঠানিক ও আন্তর্জাতিক মানের ডকুমেন্টেশন হওয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মনযূরুল হক প্রকাশনাটির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি ডকুমেন্টস। এর মাধ্যমে ইতিহাস সংরক্ষিত হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইনজিমামুল ইসলাম এবং মুখপাত্র মাওলানা রফিকুল ইসলাম আইনী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক নয়া দিগন্তের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মাওলানা লিয়াকত আলী, আমন্ত্রিত ওলামায়ে কেরাম, লেখক, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

সংস্কার শেষ করে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঘরে বসে আয়ের প্রলোভনে ২৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের নারী সদস্য গ্রেপ্তার

ঢাকার কোন কোন সড়কে যানজট—জেনে নিন বের হওয়ার আগে

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ

১০ বছর ধরে জলাবদ্ধ সড়ক, চরম দুর্ভোগ

ঢামেকে অচেতন ব্যক্তিকে রেখে পালালেন দুই যুবক, যেভাবে মিলল নিহতের পরিচয়

মিরপুরে পাঁচ লেগুনা স্ট্যান্ড দখল করে গাড়িপ্রতি চাঁদা দাবির অভিযোগ

ঢাকার প্রতিটি ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকামুখী বাসে ইয়াবা পাচার, ৯ হাজার পিসসহ গ্রেপ্তার ২

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার আইল্যান্ডে অটোরিকশার ধাক্কা, চালক নিহত