হোম > রাজধানী

ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফেরতসহ সাত দাবি গ্রাহক ফোরামের

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, ব্যাংকটির মালিকানা ‘প্রকৃত মালিকদের’ কাছে হস্তান্তরসহ সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরেন এর আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরনবী মানিক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক শুধু একটি ব্যাংক নয়, এটি দেশের কোটি কোটি গ্রাহকের আস্থা ও জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রেমিট্যান্স প্রবাহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন এবং সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের বড় একটি অংশ এই ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে খুরশিদ আলমের নিয়োগ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে অপসারণের পর থেকে ব্যাংকটির সুশাসন ও স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় গত ২৪ মে থেকে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান, সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন গ্রাহকরা।

ফোরামের নেতারা দাবি করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কবির আহমদ ও ড. ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে তারা ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। সেখানে একটি গ্রহণযোগ্য ও পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ গঠন এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, চেয়ারম্যান পরিবর্তন এবং তারল্য সহায়তা দেওয়ার বাইরে এখনো ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে গ্রাহকদের আস্থা পুরোপুরি ফিরে আসেনি।

এ সময় ব্যাংকটির মালিকানা নিয়ে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবি ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সংগঠন এবিবির বিভিন্ন মতামতও তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের সংকট দীর্ঘায়িত হলে তা পুরো ব্যাংকিং খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগের কথাও উল্লেখ করা হয়।

গ্রাহক ফোরামের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- সৎ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠন, ব্যাংকের মালিকানা আগের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, ব্যাংক লুটেরাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা, ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ধারা সংশোধন এবং ইসলামী ব্যাংক বিষয়ে দেওয়া ‘অসত্য বক্তব্য’ প্রত্যাহার।

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করতে গিয়ে অধ্যাপক নুরনবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পদ নয়। এটি কোটি কোটি গ্রাহকের আমানত, বিশ্বাস ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত একটি প্রতিষ্ঠান। গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় এখনো আমাদের উত্থাপিত সাত দফা দাবির কোনো কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি।

দাবিগুলো আদায়ে আগামী ২১ জুন ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এবং ২২ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপরও দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

ধানমন্ডির বহুতল ভবন থেকে পড়ে শিশু গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু

মোহাম্মদপুরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম

স্ট্রিট ফুডসহ সব ধরনের রেস্তোরাঁকে ভ্যাটের আওতায় আনতে হবে

মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় ছুরিকাঘাতে হত্যা

বিচিত্র নামের দেশি-বিদেশি ফলের সমারোহ

উন্নয়ন প্রকল্প বিশ্বব্যাংকের, চাঁদা দিতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের

ভবনের প্ল্যান অনুমোদনে এসটিপি নকশা অন্তর্ভুক্ত করা হবে: রাজউক

দুর্নীতির কারণে জনগণ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত: সেলিম উদ্দিন

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে সংকট, বাস্তুচ্যুত ২০–২৫ লাখ মানুষ

সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগে যুবদল নেতা বহিষ্কার