জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের অষ্টম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন শহীদ রিতা আক্তারের খালা নারগিস আক্তার।
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালে মিরপুর-২ এ স্টেডিয়ামের কাছে থাকতাম। এখনো ওখানেই আছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে ওইদিনই আমার ভাগ্নী গুলি খেয়ে মারা যায়। আন্দোলন চলাকালে আমি, আমার ছেলে মনোয়ার, আমার ভাগ্নী রিতা, রিতার মা ও বাবাসহ মিরপুর স্টেডিয়ামের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। ৫ আগস্ট বিকেল পাঁচটার দিকে মিরপুর-২ স্টেডিয়াম ওভার ব্রিজের সিঁড়িতে দাঁড়ানো অবস্থায় আমার ভাগ্নি রিতার মাথার পিছনে গুলি লাগে। আওয়ামী লীগের লোকেরা ও পুলিশ গুলি করেছিল।’
জবানবন্দিতে নারগিস বলেন, ‘এরপর রিতাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল থেকে লাশ বাসায় নিয়ে গোসল করানো হয়। পরে গ্রামের জয়পুরহাটে নিয়ে দাফন করি। আমার ভাগ্নী রিতার হত্যার জন্য আমি শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানকে দায়ী করি। আমি লোকমুখে শুনেছি ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক,পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ ও সালমান এফ রহমান শেখ হাসিনার কাছে লোক ছিল। আমি আমার ভাগ্নি হত্যার বিচার চাই।’
এমপি