হোম > আইন-আদালত

জি কে শামীমের সাড়ে ৫ বছর কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার

ছবি: আমার দেশ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় কথিত যুবলীগ নেতা ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে পাঁচ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তার মা আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের পাশাপাশি তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় বিচারক। রায়ে জিকে শামীমের ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

একইসঙ্গে জিকে শামীমের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়। তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস প্রদান করেন আদালত।

আদালতে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাড়ে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছেন। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কিনা তা কমিশন সিদ্ধান্ত নিবে।

তবে রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম বলেন, এই রায় আইনগত ভাবে সঠিক হয়নি। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য ছিলো। ওইদিন জি কে শামীমের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় জেরা করার আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলা রায় থেকে উত্তোলন করে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য করা হয়। এরপর তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি, সাফাই সাক্ষ্য এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ২০ মার্চ আবার রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর আদালত এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

মামলায় অভিযোগ জানা যায়, জিকে শামীম ২০১৮-২০১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

এছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধার করা নগদ ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ছাড়াও ৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরও ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

২০২৩ সালের ১৭ জুলাই মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বাকি সাত আসামিকে (জিকে শামীমের দেহরক্ষী) ৪ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জি কে শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম আদালত।

বিচার বিভাগের বাজেট বাড়ানোর দাবি, সমর্থনে আইনমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি

পরীমণির সঙ্গে পরকীয়া: বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন

জঙ্গি হিসেবে স্বীকারোক্তি দিতে কয়েকজন মিলে নির্যাতন করত

জালিয়াতি মামলায় সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

সময় টিভির সাবেক পরিচালক আহমেদ জোবায়ের কারাগারে

১২৭ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল

টিকটকার তোহা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণের শুনানি আজ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা: হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ১৪ জুলাই

ওসি বললেন, তোমাকেই ক্রসফায়ারে দিতে হবে