রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (IQAC)-এর উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো ‘বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস ২০২৬’। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল “IP and Sports: Ready, Set, Innovate” যা ক্রীড়া ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে মেধা-সম্পদের গুরুত্বকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে।
সোমবার ( ৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ইসমাইল হোসেন সিরাজি অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দিন ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ এবং আইকিউএসি-এর পরিচালকবৃন্দ। এছাড়াও র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানের মাধ্যমে মেধাসম্পদের সুরক্ষা, উদ্ভাবনের প্রসার এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে সৃজনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু রেজা বলেন, “বর্তমান বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে হলে মেধাসম্পদের সঠিক সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে ক্রীড়াঙ্গনে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও সৃজনশীল ধারণার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের এই বিষয়ে সচেতন করে তোলা এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎসাহিত করাই আইকিউএসি-এর অন্যতম লক্ষ্য। মেধা-সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারলেই আমরা একটি জ্ঞানভিত্তিক ও সৃজনশীল সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।”
তিনি আরো বলেন, বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস আমাদের জন্য শুধু একটি উদযাপন নয়, বরং এটি একটি অঙ্গীকার। আমরা যেন উদ্ভাবনকে মূল্যায়ন করি, সৃজনশীলতাকে সম্মান করি এবং মেধার যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করি।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে সুরক্ষা প্রদান এবং ক্রীড়াঙ্গনে মেধা-সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের চেতনা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ায় এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে জানান তিনি।