হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জাবিতে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি

আমার দেশ অনলাইন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে বহিরাগত ব্যক্তির ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার রাতে তার কার্যালয়ের সামনে দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অংশ নেন।

রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে ছাত্রী হল এলাকা থেকে সাধারণ নারী শিক্ষার্থীদের ব্যানারে শুরু হওয়া মশাল মিছিলে পরে সব বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংহতি জানিয়ে যোগ দেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা বড় সমাবেশ গড়ে তোলেন।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘ধর্ষকের কালো হাত, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’, ‘ভুয়া ভুয়া, জাকসু ভুয়া’ এবং ‘প্রক্টরের পদত্যাগ, করতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগানে ক্যাম্পাস প্রকম্পিত করেন।

প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, বর্তমান প্রক্টর প্রশাসন নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের ভাষ্য, এই প্রশাসনিক মেয়াদে একাধিক গুরুতর সহিংস ঘটনা ঘটলেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সাম্প্রতিক এই ঘটনার পর প্রক্টরকে আর দায়িত্বে দেখতে চান না বলেও তারা স্পষ্ট জানান।

পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীরা ভবনটি ঘেরাও করেন। সেখানে তারা অভিযুক্তের দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

এআরবি

হামে শিশু মৃত্যুর প্রতিবাদে রাবিতে বিক্ষোভ

তারেক রহমানকে জঙ্গীবাদের গডফাদার বলা সেই শিক্ষকের পদোন্নতি

জাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের মতবিনিময়

তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মাহিন, সাধারণ সম্পাদক ইমরান

জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার হওয়া উচিত: উপাচার্য

ববিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ‘নলেজ করিডোর’ সেমিনার অনুষ্ঠিত

আমাকে ‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

জাল স্বাক্ষরে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ, লাপাত্তা খুবির সহকারী রেজিস্ট্রার

শিক্ষকরা গ্রামে থাকতে চান না, তদবির করেন শহরে আসার জন্য