হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

সচিবালয়ে পদযাত্রার ঘোষণা জবি শিক্ষার্থীদের

প্রতিনিধি, জাবি

সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনশনরত শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুর দেড়টার মধ্যে মন্ত্রণালয় ও সেনা কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে না বসলে তারা এ কর্মসূচি ঘোষণা দেন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের জবি শাখার সভাপতি এ কে এম রাকিব।

ঘোষণায় তিনি বলেন, আমরা একটি আল্টিমেটাম দিচ্ছি। একটা ত্রিশ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যদি মন্ত্রণালয় ইউজিসি ও সেনাকর্মকর্তাদের সাথে না বসে, তবে সচিবালয় ঘেরাও হবে। দেড়টার মধ্যে যদি কোন সমাধান না হয় তবে দেড়টায় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে যাত্রা শুরু হবে। এ সময় তিনি সকল শিক্ষার্থীকে আন্দোলনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

এর আগে গতকাল রোববার তিন দফা আন্দোলনে অনশন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবি: দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর করা; শিক্ষার্থীদের অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা; অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত অন্তত ৭০ ভাগ শিক্ষার্থীকে আবাসন ভাতা দিতে হবে।

এরআগে, সোমবার দ্বিতীয় দিনের অনশন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। সকালে এ অনশনে যোগ দেন আরও অনেক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনে (সাবেক বিবিএ ভবন), রফিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করা হয়।

রোববার রাত থেকে ক্যাম্পাসে শাটডাউনে ঘোষণা দিয়ে ফেসবুকে বিবৃতি কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে শাটডাউনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিস, অ্যাকাউন্টটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ, ইতিহাস বিভাগ, আইআর বিভাগ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, সমাজকর্ম বিভাগ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রসায়ন বিভাগ, সিএসই বিভাগ, ফার্মেসি বিভাগ, গণিত বিভাগ, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, বাংলা বিভাগ ও গণিত বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

অনশনরত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, প্রশাসন, ইউজিসি, সেনাবাহিনী ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় একসাথে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের জানাতে হবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর করতে হবে। শিক্ষার্থীদের অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের নতুন শাট ডাউন কর্মসূচি আজ সকাল থেকে শুরু হয়েছে।

ইতিহাস বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, আমরা গতকাল সকাল থেকে অনশনে আছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ আমাদের কে অনশন ভাঙার মত কোন আশ্বাস দেয়নি। আমরা অনেকগুলো শিক্ষার্থী অনশনে আছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন চলবে।

এর আগে রোববার সকাল ৮.৩০ থেকে অনশন করে শিক্ষার্থীরা। অনশনে অসুস্থ হয়ে প্রায় ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। উপাচার্যের বারবার অনুরোধেও অনশন ভাঙেনি শিক্ষার্থীরা। যে তিন দফা দাবি নিয়ে জবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা অনশন শুরু করেছে। তাদের দাবিগুলো হলো- সেনাবাহিনীর কাছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হস্তান্তরের চুক্তি অনতিবিলম্বে স্বাক্ষর করতে হবে; পুরান ঢাকার বাণী ভবন ও ড. হাবিবুর রহমান হলের স্টিল বেইজড ভবনের কাজ দ্রুত শুরু এবং শেষ করতে হবে; যতদিন অব্দি আবাসন ব্যবস্থা না হয় ততদিন পর্যন্ত ৭০% শিক্ষার্থীর আবাসন ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।

শতাব্দী পেরিয়ে বহু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি জাতির বাতিঘর

ঢাবি ক্লাবের নেতৃত্বে অধ্যাপক সেলিম রেজা ও মহিউদ্দিন

চবির ২০২৬–২৭ অর্থবছরের ৫০৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

রাবিতে ওসমান হাদির ৩৩তম জন্মবার্ষিকীতে সেমিনার

পলাশীর যুদ্ধ হয়েছিল মূলত বাংলার অর্থ-সম্পদ লুট করার জন্য: মাহমুদুর রহমান

জাবিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে মৌসুমি ফল উৎসব

এআইয়ের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: বাকৃবি উপাচার্য

হাবিপ্রবির বাজেটে সর্বোচ্চ ব্যয় বেতন-ভাতায়

জাবিতে গোপনে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণকালে বহিরাগত যুবক আটক

জাপানকে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল, টিএসসিতে সমর্থকদের উল্লাস