হোম > শিক্ষা > উচ্চশিক্ষা

কলেজ শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

স্টাফ রিপোর্টার

চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের ১২ হাজার কলেজ শিক্ষককে আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আগামীকাল রোববার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টি ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউট এবং দুই কোটি গাছ লাগানোর ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।

শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এসব কথা জানান।

উপাচার্য জানান, প্রাথমিকভাবে দেশের ১২ হাজার কলেজ শিক্ষককে ট্রেইনার হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। কলেজ শিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে ৮৯ জন কোর ট্রেইনার এবং ৮৪০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হয়েছে। এতে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে সরকারের এটুআই প্রকল্প ও ইউনিসেফ বাংলাদেশ।

এ সময় উচ্চশিক্ষাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যসূচি পরিবর্তনসহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রফেসর আমানুল্লাহ আরো জানান, দেশের ৬৪টি জেলার ৫০০টি উপজেলায় বিস্তৃত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দুই হাজার ২৮৪টি। এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো দক্ষতাভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার কর্মসূচি নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। যা বর্তমান সরকারের যুব উন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি বিস্তার এবং উচ্চশিক্ষা সংস্কারবিষয়ক অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

তিনি জানান, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক কর্মবাজারের পরিবর্তিত চাহিদার প্রেক্ষাপটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক পর্যায়ে আইসিটি কোর্স বাধ্যতামূলক করেছে। শিক্ষার্থীদের আইসিটি শিক্ষা দিতে এ বিষয়ে অনেক দক্ষ শিক্ষক প্রয়োজন।

প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া লিংকেজ মাত্র শতকরা ১০ ভাগ। প্রতিবছর শতকরা ১০ ভাগ করে এ হার বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, আগামী ২০৩০ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া লিংকেজের হার বেড়ে হবে ৫০-৬০ ভাগ।

তিনি জানান, ভাষাগত দক্ষতার অভাবে অনেকে দেশে ও বিদেশে ভালো কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারেন না। পরিস্থিতির উন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলা-ইংরেজি ছাড়াও তৃতীয় যেকোনো একটি ভাষা শেখার সুযোগ দিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে মাল্টি ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউট। রাজধানীর বিভিন্ন কলেজে এরই মধ্যে এই ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য কলেজেও মাল্টি ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, সরকারের সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে চায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এলক্ষ্যে ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগাবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এটিএম জাফরুল আযম এবং রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এমই

শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

সাংবাদিক কাজী মেহেদী হাসানের যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ

ইউজিসির সদস্য হলেন ঢাবির অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন

ইউজিসির গবেষণা প্রকল্প পেলেন রাবিপ্রবির দুই শিক্ষক

ইউজিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে পাকিস্তান হাই কমিশন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

স্টুডেন্ট ভিসা রিজেক্ট হওয়ার প্রধান ৫টি কারণ

জাবিতে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ১৭ জুন

ইউজিসির হিট প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

হিট প্রকল্পের ডিপিপি সংশোধন জুনে শেষ করার নির্দেশ

বৈশ্বিক শিক্ষা ব্যবস্থায় টিকতে বিডিরেনের সেবার প্রয়োজন