হোম > বিনোদন

মেহজাবীনের বিরুদ্ধে মামলা করা কে এই আমিরুল?

স্টাফ রিপোর্টার

পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার প্রলোভন দেখিয়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদানের অভিযোগে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে আমিরুল ইসলাম হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে স্থানীয়রা তাকে চেনেন না এবং মেহজাবীনও তার সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি।

এই মামলায় গত রোববার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

বাদী আমিরুল ইসলাম সম্পর্কে জানা গেছে, তার বাবার নাম মৃত সাদেক আলী। বর্তমানে তিনি ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদির নামাপাড়ায় থাকেন এবং তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরের ফতেহপুরে। তবে মামলার কাগজপত্রে যে নম্বরটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা প্রকৃত নয়। সাধারণ মোবাইল নম্বর ১১ ডিজিটের হয়, কিন্তু আমিরুল যে নম্বর দিয়েছেন তা ১২ ডিজিটের, ফলে ফোনে যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী দীর্ঘদিন ধরে মেহজাবীনের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। এর বিনিময়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় মোট ২৭ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসা শুরু না করায় টাকা ফেরত চাইলে বারবার ‘আজকে দেব, কালকে দেব’ বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

মামলার অভিযোগে আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে মেহজাবীনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তিন-চার বছর ধরে আমাদের মধ্যে কথাবার্তা চলছিল। ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে আমি তাকে প্রায় ২৭ লাখ টাকা দেই। বুটিক ব্যবসা করার কথা বলে তিনি এই টাকা গ্রহণ করেন।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘কয়েক মাস মুনাফা দেওয়ার পর তারা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন। আমি বসুন্ধরার বাসার সামনে গেলে তার ভাই ও আরও কয়েকজন আমাকে থাপ্পড় মেরে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর চোখ খোলার পর আমি নিজেকে হাতিরঝিলে পাই। সেখানে তারা আমাকে হুমকি দেয় যে, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি হওয়ায় টাকার জন্য বাসার সামনে গেলে আমাকে মেরে ফেলা হবে।’

এই ঘটনার পর আমিরুল ইসলাম মামলা করার প্রস্তুতি নেন।

এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলাটিতে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তারা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

একই সঙ্গে গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

ঝামেলা আমার কপালে লেখা, বিষয়টি আমি এনজয় করি: পরীমনি

বাচসাস নির্বাচন ২০ নভেম্বর

আগুন ও প্রিয়াংকার কণ্ঠে বাংলাদেশ বেতারে দুটি নতুন গান

শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশ্বরঙের বিশেষ সংগীত আয়োজন ‘পুজো বাড়ির গান’

গাজীপুরে বন্ধ হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ‘উল্কা’ সিনেমা হল

মাহবুবুল খালিদের কথা ও সুরে আসিফের রোমান্টিক গান

মুক্তির ১০ বছর পর ওটিটিতে রাজ-তুষির প্রথম সিনেমা

‘সালমান খান যদি বেঁচে থাকতে চান, মন্দিরে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে’

সকাল আহমেদের ‘তোর মায়ায়’-তে প্রান্ত ও রিয়া বর্মন

রাশিয়ার মর্যাদাপূর্ণ উৎসবে বাংলাদেশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নিশি’