কথার সমস্যার সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা হলো স্পিচ থেরাপি। একজন বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্ট মুখ ও গলার পেশি শক্ত করার বিভিন্ন থেরাপি দিয়ে থাকেন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সাবলীলভাবে কথা বলা শেখান।
* মানসিক কাউন্সিলিং বা টক থেরাপি : কথার সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে চলার কারণে আত্মবিশ্বাস কমে যায় বা উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা দেখা দেয়। এজন্য প্রয়োজন কাউন্সিলিং বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা। হীনম্মন্যতা, সামাজিক ভীতি বা বিষণ্ণতার জন্য কাউন্সিলিং অত্যন্ত জরুরি।
* ওষুধ : বিষণ্ণতা বা দুশ্চিন্তা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ স্পিচ থেরাপি। এর মাধ্যমে রোগীকে—
* মুখ ও গলার পেশির ব্যায়াম
* সঠিকভাবে শ্বাস নিয়ন্ত্রণ
* স্পষ্ট উচ্চারণ
* সাবলীলভাবে কথা বলার কৌশল শেখানো হয়।
চিকিৎসা না করলে কী হতে পারে?
দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করলে—
—ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগে সংকোচ বোধ করতে পারেন।
—অনেকের মধ্যে আত্মবিশ্বাস কমে যায়, উদ্বেগ বাড়ে।
—জনসমক্ষে কথা বলার ভয় তৈরি হতে পারে।
এর প্রভাব পড়তে পারে পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন
নিচের লক্ষণগুলোর কোনোটি দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত—
* শিশু বয়স অনুযায়ী কথা বলা শুরু না করলে
* কথা বলার সময় নিয়মিত তোতলানো বা আটকে গেলে
* হঠাৎ কথা জড়িয়ে গেলে
* স্ট্রোক বা মাথায় আঘাতের পর কথা বলায় সমস্যা হলে
* কণ্ঠস্বর দীর্ঘদিন কর্কশ থাকলে বা স্পষ্টভাবে কথা বলতে না পারলে
তথ্যসূত্র : হেলথলাইন