হোম > ফিচার > স্বাস্থ্য

চরফ্যাশন কিংবা জেলার মাঝামাঝি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে আবেদন

আমার দেশ অনলাইন

প্রস্তাবিত ভোলা জেলায় নির্মিতব্য মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি জেলা শহরে স্থাপন না করে চরফ্যাশন উপজেলা কিংবা জেলার মাঝামাঝি জায়গায় স্থাপনের দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ জনগণের চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুবিধার্থে বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এ আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ভোলা জেলার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান তিনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমাকৃত আবেদনটিতে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া উল্লেখ করেছেন, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার আহাম্মদপুর ইউনিয়নের একজন বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের একজন নিয়মিত আইনজীবী বটে। এছাড়াও দেশ ও দশের স্বার্থে যেকোনো অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ইতোমধ্যে বেশ সুনাম অর্জন করেছি এবং আমি আমার একান্ত নিজ উদ্যোগে আমার এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। যাহার ফলাফল আমার এলাকার জনসাধারণ ইতোমধ্যে ভোগ করছেন। তাছাড়াও সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে নৌ ও সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি।

আমরা সবাই জানি যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি গণ মানুষের দল এবং এই দলটি তার জন্মলগ্ন থেকেই তার প্রমাণ দিয়ে এসেছেন। যতবারই এই দলটি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে এসেছেন ঠিক ততবারই দেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর যখন দলটি গণ মানুষের বিপুল রায়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ঠিক তখন ভোলা জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন এবং এই বিষয়টি জানতে পেরে নিজেকে অত্যন্ত গর্বিত মনে করছি। তাই ভোলা জেলার চর অঞ্চলের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান-কে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। ইতঃপূর্বে আমি নিজ উদ্যোগে ভোলা জেলা মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছি। তাই আপনাদের এই উদ্যোগে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞও বটে।

আমরা সবাই অবগত আছি যে, ভোলা একটি দ্বীপ জেলা এবং ০৭ (সাত) টি থানা নিয়ে ভোলা জেলা গঠিত। বর্ণিত ০৭ (সাত) টি থানার মধ্যে ভোলা সদর থানাটি বেশ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমন্বিত এবং সেখানে ইতোমধ্যে ভোলা সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক বিদ্যমান। তাই ভোলা সদর থানা এবং আশেপাশের থানার সাধারণ মানুষের জন্য বর্ণিত সরকারি হাসপাতাল এবং প্রাইভেট ক্লিনিক বেশ স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করে আসছেন।

বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত সংবাদ এবং বিশ্বাস সূত্রে জানতে পারলাম যে, প্রস্তাবিত ভোলা জেলায় নির্মিতব্য ভোলা জেলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি ভোলা জেলা শহরে স্থাপন করা হবে। বিষয়টি জানতে পেরে স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত চর অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ন্যায় আমিও হতাশ, কেননা ভোলা সদর থানা ব্যতীত অন্যান্য থানার সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে আধুনিক স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাছাড়াও ফেইসবুক সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভোলা জেলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি চরফ্যাশন উপজেলা বা ভোলা জেলার মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপনের জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছেন।

তাই প্রস্তাবিত ভোলা জেলায় নির্মিতব্য ভোলা জেলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি ভোলা জেলা শহরে স্থাপন না করে জন দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে এমন একটি জায়গা নির্ধারণ করা হউক যেখানে সহজে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে ০৭ (সাত) টি থানার মানুষই স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে চরফ্যাশন উপজেলা খুবই উপযুক্ত স্থান।

আমি আশা করছি যে, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মহোদয় এবং অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবের বিষয়টি বিবেচনা করে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায় বা ভোলা জেলার মধ্যবর্তী স্থানে প্রস্তাবিত ভোলা জেলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি নির্মাণ করবেন যেখানে সকল থানার সাধারণ মানুষগণ সহজেই আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

তাই বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মহোদয় এবং অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের নিকট আমার আকুল আবেদন প্রস্তাবিত ভোলা জেলায় নির্মিতব্য ভোলা জেলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি ভোলা জেলা শহরে স্থাপন না করে জন দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে চরফ্যাশন উপজেলায় বা এমন একটি মাঝামাঝি স্থান নির্ধারণ করা হউক বা স্থাপন করা হউক যেখানে সহজেই এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে ০৭ (সাত) টি থানার প্রায় ২০ (বিশ) লক্ষ মানুষই সমানভাবে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করতে পারে এবং এই বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে আপনার একান্ত সু-মুর্জি হয়।

প্যাকেটজাত পণ্যের সম্মুখভাগে থাকতে হবে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা

মাসিকের ছন্দেই লুকিয়ে থাকে গর্ভধারণের হিসাব

পাঁচ সিটিতে হামের টিকাদান শুরু

শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নৈতিকতায় ভালো ডাক্তার তৈরি করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ধূমপান যেভাবে ধীরে ধীরে আপনার হৃদযন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে

বিএমইউতে বিশ্ব পারকিনসন্স দিবস পালিত

রান্নায় অতিরিক্ত তেল, আপনাকে ঝুঁকিতে ফেলছে না তো

স্বাস্থ্যখাতের বাজেট ৫ গুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী

দেশব্যাপী হামের টিকাদানের নতুন তারিখ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মুখ থেকে পায়ুপথে ক্যানসার