হোম > ফিচার > তথ্য-প্রযুক্তি

এবার বিদেশি ভাষা বলতেও সাহায্য করবে ‘গুগল ট্রান্সলেট’

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

গুগল ট্রান্সলেট তাদের ২০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নিয়ে এলো এক যুগান্তকারী আপডেট। এখন থেকে কেবল অনুবাদই নয়, বিদেশি ভাষা নির্ভুলভাবে বলতেও সাহায্য করবে এই প্ল্যাটফর্মটি।

নতুন এই এআই চালিত ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সরাসরি তাদের উচ্চারণের ওপর তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক বা প্রতিক্রিয়া পাবেন।

গুগল জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি অনুরোধ আসা ফিচারগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। এর মাধ্যমে অনুবাদ করা বাক্যগুলো সঠিকভাবে উচ্চারণ করার অনুশীলন করা যাবে।

যেভাবে কাজ করবে এই ফিচার

গুগল ট্রান্সলেটে কোনো শব্দ বা বাক্য লেখার পর নিচে একটি ‘প্র্যাকটিস’ বাটন দেখা যাবে। প্রথমে বাটনটিতে ট্যাপ করে সঠিক উচ্চারণটি শুনে নিতে হবে। এরপর ফোনের মাইক্রোফোন ব্যবহার করে ব্যবহারকারী নিজে সেটি উচ্চারণ করবেন।

গুগলের এআই সিস্টেম কণ্ঠস্বর বিশ্লেষণ করে জানিয়ে দেবে উচ্চারণ কতটা সঠিক হয়েছে। যদি ভুল হয়, তবে কোন জায়গাটি উন্নতি করতে হবে তাও চিহ্নিত করে দেওয়া হবে।

প্রাথমিক সীমাবদ্ধতা

ফিচারটি বর্তমানে কেবল অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ব্যবহার করা যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত থেকে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। বর্তমানে ইংরেজি, হিন্দি ও স্প্যানিশ—এই তিনটি ভাষার ক্ষেত্রে উচ্চারণ অনুশীলনের সুযোগ থাকছে। খুব শীঘ্রই আইফোন ও অন্যান্য ভাষার জন্য এই ফিচারটি উন্মুক্ত করা হতে পারে।

২০ বছরের বিবর্তন

২০০৬ সালের এপ্রিলে মাত্র কয়েকটি ভাষা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল গুগল ট্রান্সলেট। বর্তমানে এটি প্রায় ২৫০টি ভাষা সমর্থন করে। প্রতি মাসে সারা বিশ্বে প্রায় ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ এই অ্যাপটি ব্যবহার করছেন।

নতুন এই প্রোনানসিয়েশন প্র্যাকটিস ফিচারটি গুগল ট্রান্সলেটকে কেবল একটি ডিকশনারি নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ভাষা শেখার শিক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এলআর

সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে: প্রযুক্তিমন্ত্রী

ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস

মহাকাশে ঝড় : ১০০ কোটি টনের প্লাজমা মেঘ

প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা

প্রযুক্তিনির্ভর ফিফা বিশ্বকাপ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির বিকল্প নেই: আইসিটি মন্ত্রী

ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা

এআইনির্ভর লেখালেখি কি সৃজনশীলতার ক্ষতি করছে

মুসলিম গণিতবিদের নাম থেকে যেভাবে এলো ‘অ্যালগরিদম’

প্রযুক্তি খাতে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব