হোম > ফিচার > তথ্য-প্রযুক্তি

এআই’র অতিরিক্ত স্মার্ট হওয়া ঠেকাতে এআই কোম্পানিতে চাকরি

বেতন সাড়ে ৫ কোটি টাকা

আমার দেশ অনলাইন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দ্রুত উন্নত হওয়ায় ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশেষ গবেষক নিয়োগ দিচ্ছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটি এমন একটি পদে বছরে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৪৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা) পর্যন্ত বেতন প্রস্তাব করেছে, যার মূল কাজ হবে এআই যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই নিজেকে আরো বেশি স্মার্ট হতেে না পারে, সেই ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা।

বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নিয়োগটি ওপেনএআইয়ের ‘প্রিপারেডনেস’ নিরাপত্তা টিমের অধীনে। দলটি ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠতে থাকা এআই সিস্টেমের সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে।

চাকরির বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রার্থীকে শুধু প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ হলেই হবে না, তাকে হতে হবে ‘কৌশলী ও বিচক্ষণ’। কারণ এই কাজের বড় অংশই এমন ঝুঁকি নিয়ে ভাবতে হবে, যেগুলো এখনো বাস্তবে দেখা না গেলেও ভবিষ্যতে দ্রুত তৈরি হতে পারে।

পদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘রিকার্সিভ সেলফ-ইমপ্রুভমেন্ট’ বা পুনরাবৃত্ত স্ব-উন্নয়ন ধারণা। এর অর্থ, ভবিষ্যতে কোনো এআই সিস্টেম নিজেই আরো উন্নত সংস্করণের এআই তৈরি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ দিতে সক্ষম হতে পারে যেখানে মানুষের তদারকি খুব সীমিত থাকবে।

ওপেনএআই বলছে, এই গবেষকের কাজ হবে এমন স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্থার সম্ভাব্য ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা তৈরি করা। দায়িত্বের মধ্যে থাকবে উন্নত এআই মডেলের ওপর নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানো, অস্বাভাবিক আচরণ শনাক্ত করার পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা তৈরি এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য হুমকি বিশ্লেষণ করা।

এ ছাড়া ‘ডেটা পয়জনিং’ আক্রমণ থেকে এআই মডেলকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়েও কাজ করতে হবে। এ ধরনের আক্রমণে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ ডেটা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। গবেষকদের এমন টুলও তৈরি করতে হবে, যা উন্নত এআই কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয় এবং চিন্তা করে, তা বোঝার সুযোগ দেবে।

চাকরিটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, ওপেনএআইয়ের ভেতরেই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি কীভাবে ধীরে ধীরে প্রযুক্তিগত কাজের জায়গা দখল করতে পারে, সেটিও পর্যবেক্ষণ করা হবে।

সম্প্রতি এআই শিল্পে ‘রিকার্সিভ সেলফ-ইমপ্রুভমেন্ট’ ধারণাটি নিয়ে আলোচনা আরো বেড়েছে। কারণ গুগল ডিপমাইন্ড ও ওপেনএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর এআই প্রযুক্তি দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।

এ সপ্তাহে গুগল ডিপমাইন্ডের প্রধান নির্বাহী ডেমিস হাসাবিস বলেন, মানবসভ্যতা এখন ‘সিঙ্গুলারিটির পাদদেশে’ দাঁড়িয়ে আছে। প্রযুক্তি জগতে ‘সিঙ্গুলারিটি’ বলতে এমন এক সময়কে বোঝানো হয়, যখন এআই মানুষের তুলনায় দ্রুত নিজেকে উন্নত করতে শুরু করবে।

অন্যদিকে, উন্নত এআই সক্ষমতা নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান এমইটিআর (মিত্র) সম্প্রতি দাবি করেছে, এআই যেসব জটিল কাজ সম্পন্ন করতে পারে তার সক্ষমতা প্রায় প্রতি সাত মাসে দ্বিগুণ হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, খুব শিগগিরই এআই এজেন্টগুলো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বড় একটি অংশ সামলাতে পারবে, যেসব কাজ এখন মানুষের করতে কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে।

সূত্র: এনডিটিভি

এআরবি

তথ্য কর্মকর্তাদের ডিজিটাল সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান

গুগল সার্চে বড় পরিবর্তন, থাকবে স্বয়ংক্রিয় তথ্য সহকারি

ডিজিটাল সেবায় প্রতিবন্ধীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হবে: আইসিটিমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রযুক্তি খাতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে মেটা

মহাকাশ-স্যাটেলাইট ও ড্রোন উন্নয়নে বহুমাত্রিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

ব্লিসবন্ডের ‘কার অ্যাক্সেসরিজ’

ফাস্ট চার্জিংয়ে সুবিধা নাকি ক্ষতি

বোমা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা

চিকিৎসায় এআইয়ের ব্যবহার সম্ভাবনা নাকি ঝুঁকি